Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Indore

প্রেমিকাকে খুন করে সঙ্গম, আত্মা নামানোর চেষ্টা! হাসি মুখে ধৃত বলল, ‘যা হওয়ার হয়েছে…’

বান্ধবীর মোবাইল নষ্ট করেও পুলিশের হাত থেকে পালাতে পারেনি অভিযুক্ত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৭:০৭

options
link
প্রেমিকাকে খুন করে সঙ্গম, আত্মা নামানোর চেষ্টা! হাসি মুখে ধৃত বলল, ‘যা হওয়ার হয়েছে…’ zoom
শীতল চাহনি হেনে পীযূষ বলছে, 'এত জেনে কী করবেন?'

পরকীয়া সন্দেহে বান্ধবীকে খুন করেই ক্ষান্ত হয়নি তার প্রেমিক। তার পর তন্ত্রসাধনা করে মৃতের আত্মাকে মর্ত্যে ডাকার তোড়জোড়ও করেছিল! এমনকী, খুনের আগে নাকি করেছিল সহবাসও। ইন্দোরে (Indore) ২৪ বছর বয়সি এমবিএ পড়ুয়ার খুনের রহস‌্যভেদ করতে গিয়ে এভাবেই একের পর এক চাঞ্চল‌্যকর তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি পুলিশের। এদিকে এও জানা গিয়েছে, এত কিছুর পরও নির্লিপ্ত সে। অভিযুক্ত নাকি হাসতে হাসতে বলেছে, ”সব ভুলে যাওয়াই ভালো। যা হয়েছে হয়েছে।”

১৩ জানুয়ারি ইন্দোরের দ্বারকপুরীর একটি ভাড়ার ফ্ল‌্যাট থেকে তরুণীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। দেহটি বেশ কিছুদিন ধরে ওই তালাবন্ধ ফ্ল‌্যাটে ছিল। পড়শিরা দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারের সময় তরুণীর দেহে পোশাক ছিল না। পরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ মুম্বই থেকে তরুণীর প্রেমিক পীযূষ ধমনোদিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

Advertisement

তদন্তে দাবি, পীযূষ এবং ওই তরুণী একসঙ্গে পড়াশোনা করত। দু’জনের মধে‌্য প্রেম ছিল। কিন্তু বিয়ে নিয়ে প্রায়ই ঝগড়াঝঁাটি হত। ঘটনার দিন তরুণীর সঙ্গে দেখা করে পীযূষ। বান্ধবীকে নিজের ফ্ল‌্যাটে নিয়ে যায়। ওই ফ্ল‌্যাটটি সে ভাড়ায় খাটাত। ফ্ল‌্যাটে গিয়ে দু’জনে প্রথমে সহবাস করে। তারপর কোনও কারণবশত দু’জনের মধে‌্য ঝগড়া বাঁধে। রাগের মাথায় দড়ি গলায় পেঁচিয়ে বান্ধবীকে খুন করে পীযূষ। তার পর বাকি দড়ি দিয়ে তার দেহ বেঁধে ফেলে। এর কিছু সময় পর ফ্ল‌্যাট তালাবন্ধ করে সেখান থেকে বেরিয়ে চলে যায় সে। প্রথমে ইন্দোরে পালিয়ে যায়, তারপর পানভেল যায়। সেখানে একটি হোটেলে রাত কাটায়। ওই হোটেলের ঘরেই তন্ত্রসাধনা করে। মৃত বান্ধবীর আত্মাকে মর্তে‌্য ডেকে পাঠানোর প্রচেষ্টা করে। পরে মুম্বই চলে যায়। কিছু রাত সেখানকার লোকাল ট্রেনেই কাটায়। এর মধে‌্যই সে বান্ধবীর মোবাইল ফোনটিও ভেঙে ফেলে, যাতে তথ‌্যপ্রমাণ পুলিশের হাতে না যায়। কিন্তু এত কিছুর পরও পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় পীযূষ।

এরপর তাকে দেখা গিয়েছে নির্লিপ্ত অবস্থায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে। সে কি সত্যিই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে? উত্তরে শীতল চাহনি হেনে পীযূষ নাকি বলেছে, ”এত জেনে কী করবেন?” পরে আবার সে বলে, সময় এলে সে নিজেই সব ফাঁস করবে! আগাগোড়াই এই নির্লিপ্তিই সবচেয়ে অবাক করেছে পুলিশকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.