Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
India Internet

একটি মাত্র ‘দুর্ঘটনা’তেই ভেঙে পড়তে পারে দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা! বাড়ছে উদ্বেগ

উচ্চ-গতির ডেটা আদান-প্রদানে নয়া পদক্ষেপ করতে চলেছে নয়াদিল্লি, তবু 'সিঁদুরে মেঘ' ঘিরে আশঙ্কা তীব্র হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ১৬:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬, ১৬:০৪

options
link
একটি মাত্র ‘দুর্ঘটনা’তেই ভেঙে পড়তে পারে দেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা! বাড়ছে উদ্বেগ zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

ইন্টারনেট। আজকের পৃথিবীতে সংযোগের এক অনন্য ‘প্রাণভোমরা’। আপনজনের সঙ্গে মনের কথা বলা হোক কিংবা অফিসের জুম কল, প্রিয় ওটিটি দেখাই হোক কিংবা নেট ব্যাঙ্কিং, সব কিছুর নেপথ্যেই ইন্টারনেট। অথচ পরিস্থিতি যা, আচমকাই দেশের পুরো সংযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। রাতারাতি এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে।

অথচ এই মুহূর্তে দারুণ খবর, নতুন সাব-সি কেবল (সমুদ্রতল দিয়ে যাওয়া তার) যুক্ত হতে চলেছে। ‘I-2SEA’ নামের এই প্রকল্পটি সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে হায়দরাবাদের সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। পাশাপাশি এআই সিস্টেমের কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ-গতির ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করবে। এর নেপথ্যে রয়েছে মাইক্রোসফট, টাটা কমিউনিকেশনস এবং জাপানের এনইসি, সিঙ্গাপুরের সিঙ্গটেলের মতো নাম! তবু, এই অগ্রগতিকে ইতিবাচক ধরে নিয়েও বলা যায়, দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা একটি সমস্যার এটি পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়। কিন্তু কেন?

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আসলে ভারতের সাব-সি কেবল নেটওয়ার্ক বেশ পুরনো হয়ে পড়েছে। এর সুরক্ষা ব্যবস্থাও দুর্বল এবং সবচেয়ে বড় কথা বিদেশ থেকে সহায়তা ছাড়া এটা মেরামত করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলেও, বিশ্বের সাব-সি কেবলের মাত্র ৩ শতাংশ ভারতে রয়েছে! যা দেশটির আয়তনের তুলনায় রীতিমতো অসমঞ্জস। আরও উদ্বেগের বিষয় হল, ভারতে আসা ১৮টি কেবলের মধ্যে অন্তত ১৩টিই এসে মিশেছে প্রায় একই স্থানে। মুম্বইয়ের সমুদ্রসৈকতের মাত্র ৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অংশে। সেখানে একটিমাত্র ঘটনা, যেমন কোনও জাহাজের নোঙর ফেলা, নির্মাণকাজ কিংবা ইচ্ছাকৃত কোনও সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ ভারতের বিশ্ব-সংযোগের বড় অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিশ্বের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হলেও, বিশ্বের সাব-সি কেবলের মাত্র ৩ শতাংশ ভারতে রয়েছে! যা দেশটির আয়তনের তুলনায় রীতিমতো অসমঞ্জস।

আর এমনটা ঘটলে ভারত নিজে থেকে তা ঠিক করতে পারবে না। ভারতের মালিকানাধীন বা ভারতীয় জলসীমায় অবস্থানরত এমন কোনো কেবল-মেরামতকারী জাহাজ নেই। কোনও কেবল বিচ্ছিন্ন হলে ভারতকে বিদেশি মেরামতকারী জাহাজের (সাধারণত সিঙ্গাপুর বা দুবাই থেকেই যা আসে) জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এতে চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। তবে ভারতে নিজস্ব মেরামতকারী বহর না থাকা মানেই যে এর জন্য সরকারি অর্থায়ন প্রয়োজন, বিষয়টি তেমন নয়। তাত্ত্বিকভাবে, বাজার নিজেই এর সমাধান করতে পারে। কোনও একটি সংস্থার মালিকানাধীন একটি মেরামতকারী জাহাজ হয়তো বেশিরভাগ সময় অলস পড়ে থাকবে। কিন্তু একাধিক কেবল মালিকের প্রয়োজনে যৌথভাবে ব্যবহৃত মেরামত-ব্যবস্থা অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। কিন্তু ভারতীয় জলসীমায় এই ধরনের যৌথ প্রচেষ্টা এখনও দেখা যায়নি। যার আংশিক কারণ হল লাইসেন্সিং যা কেবল সরকারই পরিবর্তন করতে পারে। এখন প্রশ্ন হল, ভারত সরকার কি এই নিয়ে ভাবনাচিন্তা করবে? অন্যথায় বড় ‘বিপদ’ কিন্তু অপেক্ষা করছে!

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.