অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতির কথা প্রথম জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তির ক্ষেত্রেও তার অন্যথায় হল না। সোমবার রাতে (ভারতীয় সময়) ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। এরপরই মঙ্গলবার ‘সিঁদুর’-এর কথা মনে করিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তোপ দাগল কংগ্রেস। পাশাপাশি, বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হাত শিবিরের দাবি, মোদি সরকারকে এই চুক্তির পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য প্রকাশ করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে ভারতের কৃষক, ব্যবসায়ী এবং শিল্পের উপর এই বাণিজ্যচুক্তি বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।
এই বিষয়ে আরও খবর
কংগ্রেস তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, ‘যুদ্ধবিরতির মতোই, বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণাও মার্কিন প্রেসিডেন্ট করলেন। তিনি বলেছেন, মোদির অনুরোধেই এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ভারত নিজের বাজারে মার্কিন পণ্যের শুল্ক কমিয়ে আনবে এবং এক পর্যায়ে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য হবে দু’দেশের। মনে হচ্ছে, ভারত আমেরিকার জন্য নিজের বাজার সম্পূর্ণরূপে উন্মুক্ত করে দিতে সম্মত হয়েছে। এর বিরূপ প্রভাব পড়বে ভারতীয় শিল্প, ব্যবসায়ী এবং কৃষকদের উপর।’ এই বাণিজ্যচুক্তির আওতায় ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে আমেরিকার জন্য উন্মুক্ত করার হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতীয় কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষার ব্যাপারে কী পরিকল্পনা কেন্দ্রের, সেই প্রশ্নও তুলেছে কংগ্রেস।
কংগ্রেস তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, ‘যুদ্ধবিরতির মতোই, বাণিজ্যচুক্তির ঘোষণাও মার্কিন প্রেসিডেন্ট করলেন।
Just like the ceasefire, the announcement of the trade deal was also made by US President Trump. It has been stated that the trade deal is being done ‘on Modi’s request’.
• Trump says that India will move to reduce tariff and non tariff barriers against the United States to…
— Congress (@INCIndia) February 3, 2026
সোমবার (ভারতীয় সময়) কার্যত সকলকে চমকে দিয়ে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির কথা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নিজের সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প জনান, এই বাণিজ্যচুক্তির ফলে ভারতীয় পণ্যে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশ করা হবে।
ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি ঘিরে দীর্ঘ সময় ধরে টানাপোড়েন চলছিল। গত বছর পরপর দু’বার ভারতের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করে আমেরিকা।
ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি ঘিরে দীর্ঘ সময় ধরে টানাপোড়েন চলছিল। গত বছর পরপর দু’বার ভারতের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করে আমেরিকা। ভেনেজুয়েলার খনিজ তেল কেনার বেজায় চটেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেজন্য ভারত-সহ একাধিক দেশের পণ্যের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল। পরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে ফের চাপ বাড়িয়েছিল আমেরিকা। আরও বাড়তি ২৫ শতাংশ শুল্কও চাপানো হয়। ফলে আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। সেই ডামাডোল পেরিয়ে অবশেষে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হল দু’দেশের।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
এমআরপির থেকে বেশি দামে আলু টিক্কি বিক্রি! ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা বাংলার শপিং মলের
-
প্রথম ঝলকেই বাজিমাত সানি-প্রীতির, প্রকাশ্যে ‘বাটোয়ারা ১৯৪৭’ ছবির ফার্স্ট লুক
-
রোনাল্ডোর মঞ্চে দ্যুতি ছড়াল কঙ্গো, অঘটনের বিশ্বকাপে আটকে গেল পর্তুগাল
-
ডিম হামলা থেকে বাঁচতে সকালে বসল ‘ভিউ কাটার’! রাতে প্রত্যাহার নিরাপত্তারক্ষী, কালীঘাটে টানটান উত্তেজনা
-
‘ভারত শান্তির পক্ষে’, জেলেনস্কিকে মোদির বার্তা, মস্কো-ওয়াশিংটনের ‘সেতু’ হবেন প্রধানমন্ত্রী?



