Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Tejas jet engine

আমেরিকার থেকে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ট্রাম্পের ‘শুল্কবোমা’র মাঝেই বড় চুক্তি

১১৩টি ইঞ্জিনের জন্য আলোচনা প্রায় শেষের দিকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১২:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৫, ১২:৪১

options
link
আমেরিকার থেকে যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ট্রাম্পের ‘শুল্কবোমা’র মাঝেই বড় চুক্তি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫০ শতাংশ শুল্কের বিরাট ধাক্কার মাঝেই আমেরিকার সঙ্গে বিরাট চুক্তির পথে ভারত। তেজস বিমানের ইঞ্জিন কিনতে মার্কিন সংস্থার সঙ্গে এক বিলিয়ন ডলারের চুক্তি হতে চলেছে বলে দাবি করা হয়েছে একাধিক রিপোর্টে। এই চুক্তির মাধ্যমে ভারত এলএসি মার্ক ১এ তেজস যুদ্ধবিমানের জন্য ১১৩টি জিই-৪০৪ ইঞ্জিন কিনবে।

বায়ুসেনায় যুদ্ধবিমানের ঘাটতি পূরণ করতে ৮৩টি এলসিএ মার্ক ১এ যুদ্ধবিমানের বরাত দেওয়া হয়েছে। এই যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করতে মার্কিন সংস্থার থেকে ৯৯টি জিই-৪০৪ ইঞ্জিন কেনার চুক্তি করে ফেলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)। এর মাঝে আরও ৯৭টি যুদ্ধ বিমানের জন্য ৬২ হাজার কোটির বরাত দেওয়া হয়েছে। তা প্রস্তুত করতেই নতুন করে মার্কিন সংস্থা জিই(GE)-এর সঙ্গে ১১৩টি যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন কেনার চুক্তি হতে চলেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, ১১৩টি ইঞ্জিনের জন্য আলোচনা প্রায় শেষের দিকে এবং এই বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement

বায়ুসেনার দেওয়া বরাত অনুযায়ী, ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে ৮৩টি বিমানের প্রথম ব্যাচ এবং ২০৩৩-৩৪ সালের মধ্যে ৯৭টি বিমান সরবরাহের কথা রয়েছে হ্যালের। এই বিমানগুলি সঠিক সময়ে সরবরাহ করতে মার্কিন সংস্থার বিমান ইঞ্জিনের উপর ভরসা করছে হ্যাল। জানা যাচ্ছে, চুক্তি সম্পন্ন হলে প্রতি মাসে ২টি করে ইঞ্জিন সরবরাহ করবে মার্কিন সংস্থা জিই। কোনও বিলম্ব ছাড়াই যাতে লাগাতার ২১২টি জিই-৪০৪ ইঞ্জিনের ডেলিভারি দেওয়া হয়, সেটা নিশ্চিত করার উপরে জোর দিচ্ছে হ্যাল।

ভারতীয় বায়ুসেনায় যুদ্ধবিমানের ঘাটতি এক গুরুতর সমস্যা। সম্প্রতি এই ইস্যুতে হ্যালের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছিল বায়ুসেনা প্রধানকে। এরই মাঝে ৬০ বছরের বেশি সময় সার্ভিস দেওয়ার পর গত ২৬ সেপ্টেম্বর অবসর নিয়েছে মিগ-২১। অতীতের যাবতীয় সমস্যা পেরিয়ে দ্রুত গতিতে যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করতে কোমর বেঁধে নেমেছেন হ্যাল কর্তারা। আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক সংঘাতের মাঝে সেই লক্ষ্যেই এবার কোমর বাঁধছে হ্যাল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.