Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
India

‘জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, চিন-পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে তোপ নয়াদিল্লির

মঙ্গলবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতি জারি করেন। সেখানে তিনি বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নিয়ে ভারতের অবস্থান সুসংগত এবং সব পক্ষের কাছে সুপরিচিত। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এ বিষয়ে অন্য কোনও দেশের মন্তব্য করার কোনও অধিকার নেই।”

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ১৩:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ১৩:৩১

options
link
‘জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, চিন-পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে তোপ নয়াদিল্লির zoom
চিন এবং পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে উঠে এসেছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ।

চিন এবং পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে উঠে এসেছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ। এবার এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ প্রসঙ্গে চিন-পাকিস্তানকে ‘নাক না গলানোর’ পরামর্শ দিয়েছে ভারত।

মঙ্গলবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতি জারি করেন। সেখানে তিনি বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নিয়ে ভারতের অবস্থান সুসংগত এবং সব পক্ষের কাছে সুপরিচিত। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এ বিষয়ে অন্য কোনও দেশের মন্তব্য করার কোনও অধিকার নেই।” চিন-পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে দু’দেশের অর্থনৈতিক করিডর (সিপিইসি) এবং আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ সহযোগিতার উল্লেখ রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও তোপ দেগেছে ভারত। রণধীর বলেন, “তথাকথিত চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর প্রকল্পের কয়েকটি ভারতের সার্বভৌম ভূখণ্ডে অবস্থিত। আমরা অন্য কোনও দেশের এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করি, যা ভারতের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করে পাকিস্তানের বেআইনি ও বলপূর্বক দখলদারিকে বৈধতা দেয়।” 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চিন-পাকিস্তানে মধ্যে ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তির কথাও উল্লেখ করেছেন রণধীর। তাঁর কথায়, “১৯৬৩ সালে চিন-পাকিস্তানের সীমান্ত চুক্তিকে স্বীকৃতি দেয়নি ভারত। আমরা দু’দেশের যৌথ বিবৃতিতে আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ সহযোগিতার উল্লেখ দেখেছি। যেহেতু দুই দেশের মধ্যে কোনও সীমান্ত নেই, তাই তথাকথিত এই আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ সহযোগিতার প্রশ্নই ওঠে না।” তিনি স্পষ্ট করেছেন, ভারত তার বক্তব্য চিন এবং পাকিস্তানকে একাধিকবার জানিয়েছে।

সম্প্রতি চিন সফরে গিয়েছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সেখানে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং চিনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন তিনি। এরপরই চিন এবং পাকিস্তান যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে চিনকে অবগত করেছে পাকিস্তান। এছড়াও সেখানে দু’দেশের অর্থনৈতিক করিডরের বিষয়টিও উঠে আসে। এরপরই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.