Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
T-72

চিন-পাকিস্তানের দিকে নজর, সেনার পুরনো টি-৭২ ট্যাঙ্ক এবার আরও শক্তিশালী!

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের প্রয়োজনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরও বহু বছর সেগুলিকে কর্মক্ষম রাখাই লক্ষ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ২৩:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ২৩:১২

options
link
চিন-পাকিস্তানের দিকে নজর, সেনার পুরনো টি-৭২ ট্যাঙ্ক এবার আরও শক্তিশালী! zoom
১৯৭৮ সালে প্রথম টি-৭২ ট্যাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত হয় সেনার ভাঁড়ারে।

কেবল পাকিস্তানই নয়। দোসর চিনও। শত্রুপক্ষের সঙ্গে টক্কর নেওয়ার জন্য তাই প্রতি মুহূর্তে প্রস্তুত সেনা। কী করে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠা যায় সেদিকেই সব সময় থাকে লক্ষ্য। আর তাই এবার পুরনো টি-৭২ ট্যাঙ্কগুলিকে আরও উন্নত করতে এক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের পরেও যাতে এই ট্যাঙ্কগুলির গুরুত্ব একই থাকে সেটাই লক্ষ্য। উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে প্রথম টি-৭২ ট্যাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত হয় সেনার ভাঁড়ারে।

গত শতকের সাতের দশকে প্রথম যখন এই সাঁজোয়া যুদ্ধযান সেনার হাতে আসে সেই সময় এটাই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ট্যাঙ্কের অন্যতম। এর মধ্যে ছিল একটি শক্তিশালী ১২৫ মিমি কামান, উন্নত ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, নিচু গড়নের নকশা এবং উন্নত শক্তি-ওজন অনুপাত! এর ফলে নিঃসন্দেহে শক্তি ও সামর্থ্যে শত্রুকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল ভারত। বলে রাখা ভালো, যে সময় টি-৭২ প্রথম ভারতের হাতে আসে তখন চিরশত্রু পাকিস্তান তাদের পুরনো প্যাটন ট্যাঙ্কগুলো বাদ দিয়ে চিনের তৈরি টি-৫৯, টি-৬৯ এবং টি-৮৫ ট্যাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত করছিল ভাঁড়ারে। পরবর্তী কালে তারা ইউক্রেন থেকে প্রায় ৩০০টি টি-৮০ ট্যাঙ্কও ক্রয় করে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুরনো টি-৭২ ট্যাঙ্কগুলিকে আরও উন্নত করতে এক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের পরেও যাতে এই ট্যাঙ্কগুলির গুরুত্ব একই থাকে সেটাই লক্ষ্য। উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে প্রথম টি-৭২ ট্যাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত হয় সেনার ভাঁড়ারে।

কিন্তু ‘চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়’। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে শক্তিশালী পশ্চিমি ট্যাঙ্কগুলি টি-৭২-র সীমাবদ্ধতা প্রথমবার তুলে ধরে। উন্নততর থার্মাল ইমেজার, নাইট ভিশন এবং অত্যাধুনিক ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেমে সজ্জিত ওই সব ট্যাঙ্কের সামনে টি-৭২ যে কিছুটা ফিকে হয়ে পড়ে।

ফলে পরবর্তী সময়ে সেনা আরও আধুনিক টি-৯০ ট্যাঙ্ক অন্তর্ভুক্ত করতে শুরু করে। ২০০১ সালে রাশিয়ার তৈরি ১২৪টি টি-৯০ ট্যাঙ্কের প্রথম ব্যাচ অন্তর্ভুক্ত হয় সেনার ভাঁড়ারে। সম্প্রতি, তামিলনাড়ুর আভাডিতে অবস্থিত আর্মার্ড ভেহিকলস কর্পোরেশন লিমিটেড সেনাকে এক হাজারতম টি-৯০ ট্যাঙ্কটি সরবরাহ করেছে।

কিন্তু টি-৭২? এবার সেগুলির আধুনিকীকরণের জন্য সেনা শুরু করেছে ‘প্রজেক্ট রাইনো’। নতুন ইঞ্জিন, আধুনিক ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম এবং উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একে আরও শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এগুলিকে চালকবিহীন যুদ্ধ প্ল্যাটফর্মেও রূপান্তরিত করা হতে পারে। সেনার বিশ্বাস এর ফলে টি-৭২ ট্যাঙ্কগুলি আগামী বহু বছর ধরে কার্যকর থাকবে এবং ‘ফিউচার রেডি কমব্যাট ভেহিকলস’ অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.