Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
National mourning

তাঁর আমলেই শিখরে পৌঁছয় দিল্লি-দোহার বন্ধুত্ব, কাতারের প্রাক্তন আমিরের মৃত্যুতে জাতীয় শোক ভারতে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, 'শেখ হামাদ ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই কাতার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১০:২১

options
link
তাঁর আমলেই শিখরে পৌঁছয় দিল্লি-দোহার বন্ধুত্ব, কাতারের প্রাক্তন আমিরের মৃত্যুতে জাতীয় শোক ভারতে zoom
কাতারের প্রাক্তন আমিরের মৃত্যুতে জাতীয় শোক ঘোষণা ভারতের।

প্রয়াত কাতারের প্রাক্তন আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি। রবিবার ৭৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। দিল্লি-দোহা বন্ধুত্বকে নয়া শিখরে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম উদ্যোগক্তা এই শীর্ষ নেতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ভারতও। শেখ হামাদের মৃত্যুতে সোমবার এক দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে ভারত সরকার।

কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই শোক দিবসে সারা ভারতে যে সব ভবনে নিয়মিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেই সব ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং ঐ দিন কোনও সরকারি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান হবে না। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘শেখ হামাদ ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই কাতার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছিল।’ থানিকে ভারতের প্রকৃত বন্ধু বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শুধু তাই নয়, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কাতারকে সমবেদনা জানাতে সংসদীয় ও সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু শীঘ্রই কাতার সফরে যাবেন বলে জানা যাচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কাতারকে সমবেদনা জানাতে সংসদীয় ও সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু শীঘ্রই কাতার সফরে যাবেন বলে জানা যাচ্ছে।

কিন্তু কে এই শেখ হামাদ? যার প্রয়াণে জাতীয় শোক ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। জানা যাচ্ছে, আধুনিক কাতারের রূপকার শেখ হামাদকে বলা হয় ফাদার হামাদ। ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি দোহায় জন্ম এই নেতার। ব্রিটেনের রয়্যাল মিলিটারি অ্যাকাডেমি স্যান্ডহার্স্ট-এ প্রশিক্ষণ নেন। তার পরে যোগ দেন কাতারের সেনাবাহিনীতে। ১৯৭৭ সালে তাঁকে যুবরাজ ঘোষণা করা হয়। শেখ হামাদের শাসনকালে কাতারের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আসে। শুরু হয় এলএনজি রপ্তানি। বিশ্বব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, হামাদের আমলে ২০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল কাতারের সম্পদ। অর্থনীতি পৌঁছেছিল প্রায় ১৯৯ বিলিয়ন ডলারে।

এই হামাদের আমলেই ভারতের সঙ্গে কাতারের কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়া মাত্রা পেয়েছিল। বিশেষ করে জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে দুই দেশের অংশীদারিত্ব ব্যাপকভাবে বাড়ে। ভারত হয়ে ওঠে কাতারের সবচেয়ে বড় এলএনজি আমদানিকারি দেশ। একইসঙ্গে কাতারে ভারতীয় প্রবাসীদের সংখ্যাও দ্রুত বাড়তে থাকে। নিজের শাসনকালে ৩ বার ভারত সফরে এসেছিলেন হামাদ। সেটি হল, ১৯৯৯, ২০০৫ এবং ২০১২। তাঁর সফরে জ্বালানি, পরিকাঠামো, শিক্ষা ও বিনিয়োগ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে চুক্তি সই হয় দুই দেশের। ১৮ বছর দেশ শাসনের পর ২০১৩ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়েও দেন হামাদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.