সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিহারে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন ৬ ও ১১ নভেম্বর। ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর। রবিবার প্রধান শরিক দল জেডিইউ-র সঙ্গে আসনরফা সেরে ফেলেছে বিজেপি। সোমবার আসন বণ্টন নিয়ে বৈঠকে ইন্ডিয়া জোটের বেশ কয়েক জন নেতা। সূত্রের খবর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে চলছে হাইপ্রোফাইল বৈঠক। সেখানে রয়েছেন আরজেডি-র প্রতিনিধি তেজস্বী যাদবও।
এর আগে বিহারের কংগ্রেস সভাপতি কৃষ্ণ আল্লাভারুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন একাধিক শীর্ষ আরজেডি নেতা। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস কমপক্ষে ৬০টি আসনের দাবি জানিয়েছে। যদিও আরজেডি এতগুলি আসন ছাড়তে রাজি নয়। রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা অবশ্য বলছেন, ইতিমধ্যে আসন সমঝোতায় নরম হয়েছে রাহুল গান্ধীর দল। কারণ বিহারের বিগত বিধানসভা ভোটে ৭০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল দলটি। এদিন মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে কংগ্রেস এবং আরজেডির হাই কমান্ডের বৈঠকে কী রফা হয় সেটাই দেখার।
এদিকে নীতীশ কুমারের দাবিকে সম্মানজনকভাবে খারিজ করেছে বিজেপি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও জেডিইউ সমান সংখ্যক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছে। দুই দলই ১০১টি করে আসনে প্রার্থী দেবে। রবিবার এই আসনরফা ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
বিহার নির্বাচনে বিজেপির ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র রবিবার বিকেলে এক্স হ্যান্ডেলে জানান, ‘আসনবণ্টন নিয়ে সমঝোতা সেরে ফেলেছে এনডিএ শরিকরা। শান্তিপূর্ণভাবেই এই আসনরফা মেনে নিয়েছে সকলে। বিহারে ফের সরকার গড়বে এনডিএ।’ ১০১টি করে আসনে লড়বে বিজেপি এবং জেডিইউ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানের এলজেপি পাবে ২৯টি আসন। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতনরাম মাঝির রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা লড়বে ৬টি আসনে। একই সংখ্যক আসনে প্রার্থী দেবে হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাও।
সর্বশেষ খবর
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!
-
‘পদে পদে বাধা দিত আগের সরকার’, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ দেখে তৃণমূলকে তোপ রেলমন্ত্রী বৈষ্ণবের
-
‘গিলগিট-বালটিস্তান ভারতের অংশ’, অধিকৃত কাশ্মীরে নির্বাচনের মাঝেই পাকিস্তানকে কড়া বার্তা নয়াদিল্লির
-
প্রথম দিনই জোড়া সেঞ্চুরি, ‘দুর্বল’ আফগানদের বিরুদ্ধে চালকের আসনে ভারত