Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Hyderabad

তরুণীকে বিলাসবহুল গাড়ির চাকায় পিষে দিয়েছে ছেলে, তবু পুত্রের পাশেই হায়দরাবাদের সাংসদ!

রীতিমতো যুক্তি দেখিয়ে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর ছেলেকে যেন ভুল না বোঝা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৩:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৬, ১৩:০৭

options
link
তরুণীকে বিলাসবহুল গাড়ির চাকায় পিষে দিয়েছে ছেলে, তবু পুত্রের পাশেই হায়দরাবাদের সাংসদ! zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

দুরন্ত গতিতে ধাবমান গাড়িতে তরুণীকে পিষে দিয়েছে ছেলের গাড়ি! সাংসদপুত্র লিঙ্গামানেন সঞ্জুষের বিরুদ্ধে উঠেছে বিপজ্জনক গতিতে গাড়ি চালানোর অভিযোগ। এহেন পরিস্থিতিতেও ২১ বছরের পুত্রের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন হায়দরাবাদের (Hyderabad) রাজ্যসভা সাংসদ লিঙ্গামেনি রমেশ। রীতিমতো যুক্তি দেখিয়ে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর ছেলেকে যেন ভুল না বোঝা হয়।

জানা গিয়েছে, মৃতার নাম ভারতী মুখী। ২৬ বছর বয়সি ভারতী ইনোরবিট নামক একটি শপিং মলে জামাকাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। গত রবিবার বেলা তিনটে নাগাদ তিনি খাবার খেতে বেরিয়েছিলেন। ভারতীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহকর্মী পূজা অশোক আলোন। খাওয়ার পর মলে ফিরছিলেন দু’জনে। সেসময়ে রাস্তা পার হতে গিয়েই বিপত্তি। মলের ঠিক সামনেই সাংসদপুত্রের অ্যাস্টন মার্টিন বিপজ্জনক গতিতে ছুটে আসে। ধাক্কা মারে ভারতীকে। মৃত্যু হয় তাঁর। দেখতে দেখতে একসপ্তাহ হতে চলল, এখনও পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি অভিযুক্তকে।

Advertisement

এবার পুত্রের সপক্ষে যুক্তি সাজিয়ে সাংসদ লিঙ্গামানেনি সোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরই তাঁর ছেলে মেয়েটিকে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে যান। পাশাপাশি নিজেই পুলিশকে ঘটনাটি জানান। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতাও করছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে উল্লেখ করে ওই সাংসদ সকলের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, যেন এই দুর্ঘটনা সম্পর্কে স্রেফ আন্দাজের বশে তাঁর ছেলেকে দায়ী না করা হয়। তদন্ত চলছে। এবং আসল সত্যিটা সকলেই জানতে পারবেন বলে আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি লিঙ্গামানেনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, তাঁর ছেলে যে মদ্যপ হয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন না তা বোঝা গিয়েছে পরীক্ষা করে। এছাড়াও ওই তরুণীর পরিবারকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এদিকে জানা গিয়েছে, এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা না হলেও মামলা রুজু হয়েছে জামিনযোগ্য ধারায়। এই মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে সাত বছরের কারাবাস।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.