সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে আরও একবার হিন্দুত্ববাদী দলগুলির রোষের মুখে পড়ল হায়দরাবাদের সংস্থা ‘করাচি বেকারি’। জানা গিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় হায়দরাবাদ-সহ দেশজুড়ে ‘করাচি বেকারি’র বিভিন্ন শাখায় হামলা চলেছে। ভাঙচুরের পাশাপাশি কর্তৃপক্ষকে হুমকি চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে খবর। গোটা ঘটনার পর ত্রস্ত খাদ্য সংস্থাটির বর্তমান মালিক।
এ প্রসঙ্গে তেলেঙ্গানা বজরং দলের আহ্বায়ক শিবরাম বলেন, “ভারতে থেকে যারা পাকিস্তানকে সমর্থন করেন, তারা দেশ ছেড়ে চলে যাক। করাচি বেকারির সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে। তাই এর নাম পরিবর্তন করা উচিত। যদি তারা নাম না পরিবর্তন করে, তাহলে আমরা করব।”
এই পরিস্থিতিতে এক প্রকার বাধ্য হয়েই সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে সংস্থাটি। সেখানে তারা লেখে, ‘করাচি বেকারি ১০০ শতাংশ ভারতীয় ব্র্যান্ড। এই নাম আমাদের ইতিহাসের অংশ। এর নেপথ্যে অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই।’ শুধু তাই নয়, হায়দরাবাদে সংস্থাটি তাদের দোকানের প্রবেশপথে ভারতীয় পতাকাও টাঙিয়ে রেখেছে। কিন্তু তাও থামছে না বিতর্ক।
প্রসঙ্গত, দেশভাগের কয়েক বছর পর ১৯৫৩ সালে পথ চলা শুরু করেছিল ‘করাচি বেকারি’। খানচাঁদ রামনানি নামে এক হিন্দু অভিবাসী এর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি করাচি থেকে ভারতে এসেছিলেন। সেই সূত্র ধরেই নাম রাখা হয় ‘করাচি বেকারি’। অতীতেও একাধিকবার হামলার সাক্ষী থেকেছে বেকারি সংস্থাটি। বিশেষ করে ভারতে যখন কোনও জঙ্গি হামলা হয়, তার পরেই রোষের মুখে পড়তে হয় ‘করাচি বেকারি’কে। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না।
সর্বশেষ খবর
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
ইতিহাস গড়ে এই প্রথম লালকেল্লায় বন্দে মাতরম, জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরু প্রধানমন্ত্রীর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮