Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬
Ram Mandir

‘চোরে চোরে ভায়রাভাই’, কুম্ভমেলার সময় সর্বাধিক চুরি রাম মন্দিরে! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য

গ্রেপ্তার হওয়া আটজন অভিযুক্তের মধ্যে কেউ কেউ কুম্ভ মেলার আগেও ছোটখাটো চুরির ঘটনায় জড়িত ছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৬:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
‘চোরে চোরে ভায়রাভাই’, কুম্ভমেলার সময় সর্বাধিক চুরি রাম মন্দিরে! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য zoom
রাম মন্দিরে অনুদান চুরির ঘটনায় দেশজুড়ে হইচই।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে দেশজুড়ে উৎসবের পরিবেশে যে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, সেখানে অনুদান কেলেঙ্কারিতে মুখ পুড়েছে রাম মন্দির ট্রাস্টের। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে ‘সিট’ গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশি তদন্তে এবার জানা গেল, সবচেয়ে বেশি পরিমাণ অনুদান চুরি হয়েছে ২০২৫ সালে কুম্ভমেলার সময়।

তদন্তকারীদের বক্তব্য, গ্রেপ্তার হওয়া আটজন অভিযুক্তের মধ্যে কেউ কেউ কুম্ভ মেলার আগেও ছোটখাটো চুরির ঘটনায় জড়িত ছিল। তবে কুম্ভমেলা চলাকালীন মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া দান ও প্রণামীর পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়ে গিয়েছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরস্পর যোগসাজশে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এসআইটি এখনও পর্যন্ত আটজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা হল অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মণীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব। মঙ্গলবার এসআইটি অভিযুক্তদের বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের দাবি, গোটা ষড়যন্ত্র আটজন অভিযুক্ত মিলেই ফেঁদেছিল। তদন্তে উঠে এসেছে, লাভকুশ মিশ্র ও অনুকল্প মিশ্র— দুই ভায়রাভাই মিলে সবচেয়ে বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

গত সোমবার মন্দিরের অনুদান-বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে ফৈজাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশন। তারা রীতিমতো প্রস্তাব পাস করিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, আর্থিক দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার আট জনের হয়ে তাদের সংগঠনের কোনও সদস্য লড়বেন না। লড়লে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা বাবদ অ্যাসোসিয়েশনের কাছে জমা দিতে হবে। এদিকে, এই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এসেছে অনুদান-দুর্নীতির নেপথ্যে থাকা গাফিলতির পাঁচটি দিক।

প্রথমত, প্রাথমিকভাবে তদন্তকারী দলের দাবি, প্রায় ৪০টি দানবাক্স থেকে সংগৃহীত নগদ অর্থ ধাপে ধাপে স্থানান্তরিত হত। আর এই প্রক্রিয়াতেই ছিল গলদ। দ্বিতীয়ত, প্রণামী-বাবদ নগদ ব্যবস্থাপনা বিধি লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। তৃতীয়ত, সিসিটিভি সংক্রান্ত অনিয়ম। ৪৫ দিন পর না কি ফুটেজ আপনা আপনিই মুছে যেত! অর্থাৎ তা সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা ছিল না। এছাড়াও প্রণামী বাবদ গণনাকৃত অর্থ ও ব্যাঙ্ক জমা মিলিয়ে দেখা হত না। চতুর্থত, এসবিআই-এর তরফে অনিয়ম নিয়ে তিন মাস আগেই সতর্ক করা হয়েছিল, যা উপেক্ষা করে ট্রাস্ট। পঞ্চমত, দেশের অন্যান্য বড় মন্দিরে যে পদ্ধতিতে সিসিটিভি নজরদারি হয়, বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বিধি অনুসৃত হয়, রাম মন্দিরের ক্ষেত্রে তা করা হত না বলেই অভিযোগ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.