Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Maoist

চলতি বছরে কতজন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরো সদস্যের মৃত্যু হয়েছে? সংসদে জানাল শাহের মন্ত্রক

মাওবাদীদের নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শাহ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ১৫:৫৮

options
link
চলতি বছরে কতজন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরো সদস্যের মৃত্যু হয়েছে? সংসদে জানাল শাহের মন্ত্রক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের (Maoist) নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই মতো ছত্তিশগড়-সহ একাধিক মাও অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে লাগাতার চলছে অভিযান। নিহত হয়েছেন বহু মাওবাদী নেতা। অত্মসমর্পণও করেছেন অনেকে। চলতি বছরে ১৪ জন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরো সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে এমনটাই জানাল কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, ২০১৯ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ২৯ জন শীর্ষস্তরের মাওবাদী নেতাকে নিষ্ক্রিয় করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের মধ্যে চলতি বছরে নিহত হয়েছেন ১৪ জন। তারা মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটব্যুরোর সদস্য। তিনি বলেন, “২০১৮ সালে দেশে মাওবাদী উপদ্রুত জেলার সংখ্যা ছিল ১২৬টি। ২০২১ সালে সংখ্যাটি হয় ৯০। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ৭০টি, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ৩৮টি এবং ২০২৫ সালের অক্টোবরে তা ১১টিতে নেমে এসেছে।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশনায় ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে বামপন্থী চরমপন্থা নির্মূল করা হবে।” একইসঙ্গে তিনি এ-ও জানিয়েছেন, মাওবাদী সহিংসতা বর্তমানে ৮৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

Advertisement

২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদকে পুরোপুরি নির্মূল করা হবে বলে আগেই বিভিন্ন জনসভায় জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই লক্ষ্যে জোরকদমে শুরু হয়েছে কাজ। গত কয়েক মাসে ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে আত্মসমর্পণ করেছেন কয়েকশো মাওবাদী (Maoist)। স্পষ্ট ভাষায় শাহ জানিয়েছেন, “যারা হিংসা ত্যাগ করে মূল স্রোতে ফিরছে তাদের স্বাগত। কিন্তু যারা এখনও বন্দুক চালিয়ে যাবে তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর মারণ শক্তির মুখোমুখি হতে হবে।” বিশেষজ্ঞদের ধারণা, দেশে মাওবাদী আন্দোলন এখন একেবারে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। পরপর শীর্ষনেতাদের মৃত্যু, গ্রেপ্তারি, নিষ্ক্রিয়তা সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.