Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Delhi

চোখ-কান ফুলে লাল, স্কুলে নারকীয় অত্যাচারের শিকার ৩ বছরের খুদে! হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ

১৮ আগস্টের সিসি ফুটেজ চেক করতেই ধরা পড়ে এক মহিলা কর্মীর কাণ্ড। ১৬ এবং ১৭ আগস্টেও একইরকমভাবে শিশুটির উপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছিল বলে ধরা পড়ে ফুটেজে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৩:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৩:৩১

options
link
চোখ-কান ফুলে লাল, স্কুলে নারকীয় অত্যাচারের শিকার ৩ বছরের খুদে! হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ zoom
এআই দ্বারা নির্মিত ছবি।
Advertisement

দিল্লির (Delhi) প্লে স্কুলে ‘অমানবিক’ অত্যাচার। প্রকাশ্যে হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ। প্লে স্কুলের এক মহিলা কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। তদন্তের আওতায় শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। পকসো আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

চিকিৎসক তাকে পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছিলেন, কানের পাতায় সজোরে মার বা আঘাতের কারণেই এমন ফোলাভাব এবং যন্ত্রণা হচ্ছে। এরপর সিটি স্ক্যান করে দেখা যায়, শিশুটির কানে মারাত্মক আঘাত লেগেছে, যা এক, দু’দিনে স্থিতিশীল হওয়ার নয়, স্ক্য়ান রিপোর্ট দেখে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

গত ১৮ আগস্ট সামনে আসে ঘটনা। শিশুটি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর মা-বাবা দেখতে পান তার চোখ-কান ফুলে লাল হয়ে আছে, অনবরত বমি করতে থাকে শিশুটি। উদ্বিগ্ন হয়ে বাবা-মা তড়িঘড়ি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায় তাকে। শিশুটির বাবা জানিয়েছেন, কানে প্রচন্ড যন্ত্রণা বলছিল ছেলে। চিকিৎসক তাকে পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছিলেন, কানের পাতায় সজোরে মার বা আঘাতের কারণেই এমন ফোলাভাব এবং যন্ত্রণা হচ্ছে। এরপর সিটি স্ক্যান করে দেখা যায়, শিশুটির কানে মারাত্মক আঘাত লেগেছে, যা এক, দু’দিনে স্থিতিশীল হওয়ার নয়, স্ক্য়ান রিপোর্ট দেখে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

Advertisement

চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণের পরেই প্লে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই শিশুর মা-বাবা। জানা গিয়েছে, শিশুর এমন অবস্থার কারণ জানার চেষ্টা করা হলে প্রথমে তা মারধরের ঘটনা মানতেই চায়নি স্কুল। এরপর স্কুলে সিসি ফুটেজ দেখতে চান তার বাবা। সেই ফুটেজ দেখানোর জন্যও নাকি দেড় হাজার টাকা দাবি করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, প্রথমে ক্লাসরুমের সব ক্যামেরার ফুটেজ দেখাতে চায়নি স্কুল, পরে পরিবারের চাপে বাধ্য হয় ফুটেজ দেখাতে। আর সেখানেই উঠে আসে হামহিম করা নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা।

১৮ আগস্টের সিসি ফুটেজ চেক করতেই ধরা পড়ে এক মহিলা কর্মীর কাণ্ড। ১৬ এবং ১৭ আগস্টেও একইরকমভাবে শিশুটির উপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছিল বলে ধরা পড়ে ফুটেজে। পরিবারের দাবি, সিসিফুটেজে দেখা গিয়েছে, শিশুটিকে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল প্রায় তিনঘণ্টা। শিশুটি বাঁধা অবস্থাতেই এগোতে থাকে শিক্ষকের দিকে। তাঁর দিকে পা বাড়িয়ে খুলে দিতে বলে। এরপরেই মেরে শিশুটিকে চেয়ার থেকে ফেলে দেন তিনি। দিনের পর দিন এরকম অত্যাচার চলত বলে দাবি শিশুর পরিবারের।

এই সিসিফুটেজ সামনে আসতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ তার বাবাকে জানায়, ক্লাস প্রচন্ড বদমাশি করে তাঁর ছেলে। কিন্তু তাঁর বাবা জানিয়েছেন, স্কুলে বাচ্চার আচরণ কেমন, সে সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হলে কখনই স্কুলে থেকে কোনও অভিযোগ করা হয়নি তার ছেলের বিরুদ্ধে। সবকিছু স্বাভাবিক বলেই জানানো হয়েছে। সিসিফুটেজে শিশুর অত্যাচারের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। এই ঘটনায় পকসো আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ। প্লে স্কুলের এক মহিলা কর্মীকে আটক করা হয়। পএই ঘটনায় যুক্ত শিক্ষকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.