সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিবেশী বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর হিংসার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ মন্তব্যকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করল তাদের আদর্শগত সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবর সংঘ। শনিবার মথুরায় আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে এবং একে জাতির স্বার্থে অপরিহার্য উপাদান বলে অভিহিত করে বলেন যে হিন্দু ঐক্য ‘সমাজে অপরিহার্য এবং জনকল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয়’।
সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, হোসাবলে এদিন বলেন, “একতা যে কোনও সম্প্রদায়ের জন্য অপরিহার্য। আজ অনেক ধর্মীয় ও দলের লোকেরা তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে এটি বুঝতে পারছেন এবং এটিকে স্বাগতও জানাচ্ছেন…হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকা উচিত। হিন্দু ঐক্য সমাজে অপরিহার্য এবং জনকল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয়। বিভাজনের চেষ্টা চলছে। জাতি এবং মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে হিন্দুরা, এবং আমাদের অবশ্যই এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”
বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ প্রসঙ্গে হোসাবলে বলেন, “”হিন্দু সম্প্রদায়ের উচিত দেশান্তরিত না হলে সেখানেই থেকে যাওয়া। ১৯৪৭ সালে তাদের ভূমি ভারত থেকে বিভক্ত করা হয়েছিল, এবং ১৯৭১ সালে, তারা পাকিস্তানের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একটি পৃথক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল। যেখানে ভারতেরও ভূমিকা ছিল। সেখানে একটি শক্তিপীঠও রয়েছে। হিন্দু জাতি হিসেবে আমাদের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসাবে আমরা চাই হিন্দুরা সেখানে থাকুক, কিন্তু তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।”
মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশের অস্থির সময়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মন্তব্য ছিল ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’। অর্থাৎ, যদি আমরা বিভক্ত হই তবে আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। তিনি দেশের জাতীয় ঐক্যের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনার উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “দেশের ঊর্ধ্বে কিছু হতে পারে না। এবং দেশ তখনই ক্ষমতাশালী হবে যখন আমরা ঐক্যবদ্ধ হব।”
সর্বশেষ খবর
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা