Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Share Market

মঙ্গলেও রক্তক্ষরণ, ৫০০ পয়েন্টের বেশি পড়ল সেনসেক্স, কেন এই দুর্দশা শেয়ার বাজারের?

বিরাট ধাক্কায় মাথায় হাত বিনিয়োগকারীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৮:৪৬

options
link
মঙ্গলেও রক্তক্ষরণ, ৫০০ পয়েন্টের বেশি পড়ল সেনসেক্স, কেন এই দুর্দশা শেয়ার বাজারের? zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমের পর মঙ্গলবারও রক্ত ঝরল দালাল স্ট্রিটে। বাজার যে নিম্নমুখী হবে সে আভাস ছিলই, সকালে বাজার খোলার পর কার্যত ধস নামতে দেখা গেল শেয়ার বাজারে। প্রায় সাড়ে ৫০০ পয়েন্ট নামল সেনসেক্সের সূচক। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। বিরাট এই ধাক্কায় মাথায় হাত বিনিয়োগকারীদের।

মঙ্গলবার সকালে বাজার খোলার পরই ধস নামতে দেখা যায় বাজারে। সকাল ১০টা ৫৭ মিনিটে ১২৪ পয়েন্ট পড়ে নিফটি। সেনসেক্স নেমে যায় ৪৪২ পয়েন্ট। বাজার বন্ধ হওয়ার সময় দেখা যায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। দিন শেষে সেনসেক্স ৫৩৩.৫০ পয়েন্ট অর্থাৎ ০.৬৩ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ৮৪,৬৭৯.৮৬তে। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। রিপোর্ট বলছে, দিন শেষে নিফটি ১৬৭.২০ পয়েন্ট অর্থাৎ ০.৬৪ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ২৫,৮৬০.১০ তে। ব্যাঙ্ক নিফটিও নেমেছে ৪২৭.২০ পয়েন্ট। বর্তমানে নিফটি দাঁড়িয়ে রয়েছে ৫৯,০৩৪.৬০তে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক (-৫.৭%), পলিসিবাজার (-৫.৫০%), সুইগি (-৪.১৫%), ওলা ইলেক্ট্রিক (-৭.৭৬%)-এর মতো শেয়ারগুলির। এই খারাপ অবস্থার মাঝেই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে বেদান্ত লিমিটেড (+৩.৬৬%), ভারতী হেক্সাকম (+২.৫৫%), টাটা কমিউনিকেশন (+১.৮১%), টাইটান (+১.৬৪%)-এর মতো শেয়ারগুলি।

Advertisement

শেয়ার বাজারের এই ধসের নেপথ্যে একাধিক কারণ তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হল, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ক্রমাগত ভারতের বাজার ছড়ছেন। শুধুমাত্র ডিসেম্বরেই এখনও পর্যন্ত ২১০০০ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ ভারতের স্টক মার্কেট থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। জুলাই থেকে হিসেব করলে অঙ্কটা ১.৭০ লক্ষ কোটি টাকা। এত বিরাট সংখ্যায় বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ভারত ছাড়ার ঘটনা বেনজির বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি দ্বিতীয় কারণ হিসেবে সামনে আসছে ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রার রেকর্ড পতন। বর্তমানে ১ ডলারে মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯১ টাকার কাছাকাছি। বাণিজ্য ঘাটতি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশ ছাড়ার প্রভাব পড়েছে টাকার দামে। যা শেয়ার বাজারের পতনের জন্য অনেকাংশে দায়ী।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, শুধু ভারত নয় বর্তমানে বিশ্বের বাজারও বিশেষ স্থির নয়। মঙ্গলবার বিশ্বের বেশিরভাগ বাজারই নিচের দিকে নেমেছে। এশিয়ার নিক্কেই, হংকংয়ের হ্যাং সেং-এর মতো বাজার ২ শতাংশের নিচে নেমেছে। নিম্নমুখী আমেরিকায় Nasdaq । ০.৬১ শতাংশের কাছাকাছি পতন দেখা গিয়েছে এই বাজারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.