Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Ayushman Bharat

‘আপনার আরোগ্যে আনন্দিত’, পুলিশকর্মীর মৃত্যুর ৪২ দিন পর ফোনে আয়ুষ্মান ভারতের মেসেজ!

মৃতের স্ত্রী বলেন, এমনটা হতে পারে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর নথি সময়মতো নথিভুক্ত করেনি এবং রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দেখিয়ে অবৈধভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৭:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৭:০৯

options
link
‘আপনার আরোগ্যে আনন্দিত’, পুলিশকর্মীর মৃত্যুর ৪২ দিন পর ফোনে আয়ুষ্মান ভারতের মেসেজ! zoom
আয়ুষ্মান ভারতের পাঠানো মেসেজ ও মৃতের স্ত্রী।
Advertisement

৪২ দিন আগে মৃত্যু হয়েছে পুলিশকর্মীর। শেষকৃত্য ও পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ধীরে ধীরে শোক কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে পরিবার। তবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিমা আয়ুষ্মান ভারতের (Ayushman Bharat) নথি বলছে তিনি নাকি সুস্থ হয়ে বাড়ির পথে। পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ৪২ দিন পর আয়ুষ্মান ভারতের তরফে তাঁর ফোনে মেসেজ এল, ‘আপনার আরোগ্যে আমরা আনন্দিত।’

মৃতের স্ত্রী সীমা কুজুরের দাবি অনুযায়ী, অসুস্থতার জেরে গত ২৬ জুন পুলিশ কনস্টেবল দেব নারায়ণ রামকে ভর্তি করা হয়েছিল ছত্তিশগড়ের সুরগুজার অম্বিকাপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিমা আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার (পিএম-জেএওয়াই) অধীনে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। তবে ৩০ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় দেব নারায়ণের। মৃত্যুর পর তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করার পাশাপাশি মৃত্যু শংসাপত্র দেওয়া হয় পরিবারকে। এতদূর পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। তবে মৃত্যুর ৪২ দিন পর কনস্টেবল দেব নারায়ণের ফোনে একটি মেসেজ আসে।

Advertisement

অসুস্থতার জেরে গত ২৬ জুন পুলিশ কনস্টেবল দেব নারায়ণ রামকে ভর্তি করা হয়েছিল ছত্তিশগড়ের সুরগুজার অম্বিকাপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

আয়ুষ্মান ভারতের তরফে পাঠানো সেই বার্তায় লেখা ছিল, ‘প্রিয় দেব নারায়ণ রাম, আপনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি, আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার (পিএম-জেএওয়াই) অধীনে প্রদত্ত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পেয়ে আপনি সন্তুষ্ট।’ এর সঙ্গেই রোগীর ভর্তির তারিখ ২৬ জুন লেখা হলেও, ছুটির তারিখ দেওয়া হয়েছে ৬ আগস্ট। অথচ রোগীর মৃত্যু হয়েছে ৩০ জুন। সেইমতো মিলেছে মৃত্যু শংসাপত্র। সরকারি সেই বার্তার স্ক্রিনশট-সহ সোশাল মিডিয়ায় এই ভিডিও বার্তায় মৃতের স্ত্রী সীমা কুজুর প্রশ্ন তোলেন, ‘এই ঘটনা কীভাবে সম্ভব?’

এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের স্ত্রী বলেন, এমনটা হতে পারে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর নথি সময়মতো নথিভুক্ত করেনি। এবং রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন দেখিয়ে অবৈধভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। বেআইনিভাবে কোনও অর্থও আদায় করা হয়নি। রোগী চার দিন ভর্তি ছিলেন, ফলে চারদিনেরই টাকা কাটা হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে এই সমস্যা হয়ে থাকতে পারে কিংবা ডেটা এন্ট্রি অপারেটর রেকর্ড নথিভুক্ত করতে দেরি করেছেন। তবে মৃতের পরিবার এই ঘটনায় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.