Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Sugar price hike

২০ দিনে ২০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম, ইথানল নয়, মূল্যবৃদ্ধির আসল কারণ জানাল কেন্দ্র

শুক্রবার এক বিবৃতিতে কেন্দ্র জানিয়েছে, ইথানল উৎপাদনের জন্য চিনি সরিয়ে নেওয়ার কারণে চিনির দাম বেড়েছে—এমনটা ঠিক নয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ২১:৩৮

options
link
২০ দিনে ২০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম, ইথানল নয়, মূল্যবৃদ্ধির আসল কারণ জানাল কেন্দ্র zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

মিষ্টিমুখেও দামের ছ্যাঁকা। ২০ দিনে প্রায় ২০ টাকা বেড়েছে চিনির দাম। দেশের বাজারে চিনির মহার্ঘ হওয়ার নেপথ্যে ইথানলের উৎপাদনের যোগসূত্র! এই দাবি নস্যাৎ করল কেন্দ্র। শুক্রবার এক বিবৃতিতে কেন্দ্র জানিয়েছে, ইথানল উৎপাদনের জন্য চিনি সরিয়ে নেওয়ার কারণে চিনির দাম বেড়েছে—এমনটা ঠিক নয়। ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রক এই মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করেছে, প্রত্যাশার চেয়ে কম চিনি উৎপাদন, উৎসবের মরশুমকে কেন্দ্র করে চাহিদা বৃদ্ধি, আবহাওয়াজনিত কারণে ফসলের ক্ষতি, বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং মজুত ও ফটকা কারবারের আশঙ্কাও রয়েছে। 

সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, খুচরা বাজারে চিনির দাম চড়চড়িয়ে বেড়েছে। ২০ জুলাই প্রতি কেজি চিনির গড় খুচরো বাজারে চিনির দাম ছিল ৪৮.১৮ টাকা, যা ২০ আগস্ট বেড়ে ৫৫.৭০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সরকারের মতে, সরবরাহ ও চাহিদার প্রভাবেই এই মূল্যবৃদ্ধি। সরকার প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফসলের ক্ষতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির সীমিত জোগানের বিষয়টিও উল্লেখ করেছে কেন্দ্রের বিবৃতিতে। একই সঙ্গে, সংশ্লিষ্ট শিল্পের একটি অংশের মধ্যে অতিরিক্ত মজুতের প্রবণতার কারনে দেশীয় বাজারে চিনি সরবরাহে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

Advertisement

 আসন্ন উৎসবের মরশুমে যাতে চিনির দাম হাতের বাইরে না চলে যায়, সেটা নিশ্চিত করতে সরকার মজুদদারি কড়া হাতে রুখতে চাইছে। কেন্দ্রের নয়া নির্দেশ, বড় বড় চিনি ব্যবসায়ী বা মজুতদাররা ১৫ দিনের বেশি চিনি গুদামে আটকে রাখতে পারবেন না। মোদি সরকারের নয়া নির্দেশিকা বলছে, যে সব ব্যবসায়ীরা মাসে ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি বেচাকেনা করেন, তাঁদের প্রতি ১৫ দিনের মধ্যে নিজেদের গুদামে মজুত সব চিনি বাজারে ছাড়তে হবে। সেটা নিশ্চিত করতে ১৫ দিন অন্তর অন্তর অভিযান চালাবে সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই বিধিনিষেধ চালু হবে। সেটা চলবে ৩০ নভেম্বর অর্থাৎ উৎসবের মরশুম শেষ হওয়া পর্যন্ত। 

সংবাদসংস্থা রয়টার্স আগেই দাবি করেছে, দেশের বাজারে চিনির সংকট মেটাতে কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপের পথে সরকার। প্রায় ১০ বছর বাদে চিনি আমদানি করতে পারে ভারত। চমকপ্রদ বিষয় হল, চিনি উৎপাদনে এতদিন যে ভারত শুধু স্বাবলম্বী ছিল তাই নয়, প্রতি বছর বড় অঙ্কের চিনি রপ্তানিও করত। কিন্তু এ বছর ইথানল উৎপাদনের জোরাল ধাক্কায় এতটাই অভূতপূর্ব সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে বিদেশ থেকে প্রচুর চিনি আমদানির কথা ভাবতে হচ্ছে।

আসলে গোটা বিশ্বে চিনির চাহিদা সবচেয়ে বেশি ভারতেই। তাছাড়া সামনে উৎসবের মরশুম আসছে। দুর্গাপুজো, দিওয়ালির মতো অনুষ্ঠানে চিনির চাহিদা আরও বেড়ে যাবে। এখন থেকে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে আগামী দিনে চিনিতে হাত দেওয়াই মুশকিল হয়ে দাঁড়াবে। চিনির দাম বাড়লে বহু খাদ্যসামগ্রীর দামই বেড়ে যেতে পারে। সমস্যায় পড়তে পারেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। ফলে সার্বিকভাবে দেশের বাজারে বড়সড় ধাক্কার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.