অনুপ্রবেশের জন্য জনবিন্যাস পালটে যাচ্ছে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলির! জাতীয় নিরাপত্তার জন্য তৈরি হয়েছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘দেশ বাঁচাতে’ ‘ভিশন ডেমোগ্রাফি’ মিশনের কথাও ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির সেই নির্দেশ মতো এবার জনবিন্যাসে বদল রুখতে কার্যকরী পদক্ষেপের পথে হাঁটল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করলেন, অনুপ্রবেশের জেরে জনবিন্যাসে বদল এবং সেটার কী প্রভাব জনমানসে পড়ছে তা খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চস্তরীয় কমিটি গঠন করছে কেন্দ্র। ওই কমিটিতে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকর, প্রাক্তিন আইএএস অফিসার দুর্গাশঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক বালাজি শ্রীবাস্তব এবং অর্থনীতিবিদ ডঃ শমিকা রবি। এছাড়াও এই কমিটিতে থাকবেন সেনসাস কমিশনার, স্বরাষ্ট্রদপ্তরের সচিব এবং বিদেশ সচিবেরা। শাহ জানিয়েছেন, এই কমিটির কাজ হবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুপ্রবেশের জেরে এবং অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে যে জনবিন্যাসের বদল আসছে, সেটা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করা।
আরও পড়ুন:
घुसपैठ और अन्य कारणों से Unnatural Demographic Change किसी भी राष्ट्र के वर्तमान व भविष्य के लिए एक बहुत बड़ी चुनौती है।
इसी चुनौती से निपटने के लिए 15 अगस्त 2025 को प्रधानमंत्री @narendramodi जी ने ‘High-Level Committee on Demographic Change’ की घोषणा की थी। मुझे बताते हुए हर्ष…
— Amit Shah (@AmitShah) May 26, 2026
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, “জনবিন্যাসে বদল অত্যন্ত গুরুতর ইস্যু। এটা শুধু যে শুধু ভারতের সার্বভৌমত্বে আঘাত তাই নয়, একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও বিপজ্জনক। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক বিন্যাসের জন্যও জনবিন্যাসে বদল ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনতে পারে। একই সঙ্গে আদিবাসী সমাজের জন্য অস্তিত্বের সংকটের কারণ হতে পারে জনবিন্যাস বদল।” শাহ সাফ জানিয়েছেন, তাঁর তৈরি কমিটি শুধু যে অনুপ্রবেশের কারণে জনসংখ্যার অস্বাভাবিক বদল দেখবে তাই নয়, একই সঙ্গে অন্য কোনও কারণে অস্বাভাবিকভাবে জনসংখ্যার বিন্যাস বদলাচ্ছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ শাহী ইঙ্গিতেই স্পষ্ট, কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, ধর্মান্তকরণ, ল্যান্ড জিহাদ এবং লাভ জিহাদের মতো বিষয়গুলিও কেন্দ্রের নজরে রয়েছে।
বলে রাখা দরকার, বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে বাংলা, ত্রিপুরা, অসমে বিরোধী দলগুলির সরকার থাকাকালীন রাজ্য সরকারের সহযোগিতা সেভাবে না পাওয়া যাওয়ায় অনুপ্রবেশ রুখতে সমস্যা হচ্ছিল। যার ফলে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ক্রমশ সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছে হিন্দুরা। এই মুহূর্তে এই সব রাজ্যেই বিজেপির সরকার। ফলে পরিস্থিতি অনুকূলে। তাই কেন্দ্র এখনই জনবিন্যাস বদল নিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ করতে চাইছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মূত্রনালিতে আটকে হেয়ার পিন! মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে নজিরবিহীন অস্ত্রোপচার বছর তেইশের যুবকের
-
মেয়ে ‘খুনি’, হৃদরোগে আক্রান্ত সিয়ার বাবা! মা বলছেন, ‘ওকে মৃত্যুদণ্ড দিক…’
-
দুর্যোগ কাটতেই তারাতলায় ফের উদ্ধারকাজ শুরু, নাইট ভিশন ক্যামেরায় চলছে তল্লাশি
-
‘৫ জন থাকলেও ধর্মতলায় যাব’, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভায় ঘোষণা মমতার
-
সিএবিতে ফের নাটক! অ্যাপেক্স সদস্যের আচমকা ইস্তফা চাপ বাড়াল সহ-সভাপতির উপর