Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
GDP Growth

আমেরিকার ‘শুল্কবোমা’র মাঝেই সুখবর! একলাফে অনেকটা বাড়ল জিডিপি বৃদ্ধির হার

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পুর্বাভাসকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিল বৃদ্ধির হার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ২০:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ২০:০২

options
link
আমেরিকার ‘শুল্কবোমা’র মাঝেই সুখবর! একলাফে অনেকটা বাড়ল জিডিপি বৃদ্ধির হার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার চাপানো ৫০ শতাংশ শুল্কের বোঝার মাঝেই সুখবর ভারতের জন্য। পূর্বাভাসকে ছাপিয়ে গেল ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার। কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান এবং পরিকল্পনা দপ্তরের প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.৮ শতাংশ। বিভিন্ন সংস্থা দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার নিয়ে যে পূর্বাভাস দিয়েছিল, বাস্তবে বৃদ্ধির হার তার তুলনায় অনেক বেশি। স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বাস অর্থনৈতিক মহলে।

গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৫ শতাংশ। বিভিন্ন সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছিল ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার হবে ৬.৩ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে। এদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্বাভাস ছিল এই বছর প্রথম ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার হবে ৬.৫ শতাংশ। কিন্তু রিপোর্ট বেরতেই দেখা গেল বাস্তবটা অনেক আলাদা। এই উল্কাগতির উত্থান পৃথিবীর দ্রুতগতির অর্থনীতিগুলির মধ্যে ভারতকে স্থান পাকা করতে সাহায্য করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আমেরিকার শুল্ক-চাপ ভারতের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। জিডিপি বৃদ্ধির এই হার সেই প্রভাবের হাত থেকে অর্থনীতিকে বাঁচাতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

পরিষেবা ক্ষেত্রের দ্রুত বৃদ্ধি জিডিপি-র উন্নতিতে সব থেকে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই সেক্টরে বর্তমান অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার ৯.৩ শতাংশ। গত দুই বছরের মধ্যে এই বৃদ্ধির হার সবথেকে বেশি। অন্যদিকে কৃষিক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ৩.৭ শতাংশ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ৭.৭ শতাংশ। শুক্রবার কন্ট্রোলার জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টসের দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, জুলাইয়ের শেষে ভারতের আর্থিক ঘাটতি বেড়েছে। এই ঘাটতি বর্তমানে বেড়ে ইতিমধ্যেই সারা বছরের লক্ষ্যমাত্রার ২৯.৯ শতাংশ হয়েছে। প্রথম ত্রৈমাসিকের (এপ্রিল-জুন) শেষে তা ছিল বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ১৭.৯ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সরকারের আর্থিক ঘাটতি ছিল ৪,৬৮,৪১৬ কোটি টাকা। সরকারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষে আর্থিক ঘাটতি হবে জিডিপি-র ৪.৪ শতাংশ, অর্থাৎ ১৫.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.