Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Gauri Lankesh

সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনে ধৃত শেষ অভিযুক্তরও জামিন, প্রশ্ন তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে

সব মিলিয়ে গৌরী লঙ্কেশ খুনে মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রমাণের অভাবে সব অভিযুক্তই এখন জামিনে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৬:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২৫, ১৬:২০

options
link
সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনে ধৃত শেষ অভিযুক্তরও জামিন, প্রশ্ন তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশ খুনে ধৃত শরদ ভৌসাহেব কলস্করকেও জামিন দিল বেঙ্গালুরুর আদালত। ফলে প্রখ্যাত সাংবাদিককে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া সব অভিযুক্তই জামিনে মুক্তি পেয়ে গেল।

২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়ির সামনেই গুলি করে খুন করা হয় সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশকে। এরপরই দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় আছড়ে পড়ে। তদন্ত নেমে প্রায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তড়িঘড়ি একটি বিশেষ দল তৈরি করে তদন্তও শুরু করে দেয়। সব মিলিয়ে গৌরী লঙ্কেশ খুনে মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর এক অভিযুক্ত এখনও ধরাই পড়েনি।

Advertisement

কিন্তু গত কয়েক বছরে একে একে সব অভিযুক্তই জামিন পেয়ে গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা উপযুক্ত প্রমাণ দিতে না পারায় বিলম্ব হচ্ছে বিচারপ্রক্রিয়ায়। যার জেরে জেলবন্দি শেষ অভিযুক্ত শরদ কলস্করও জামিন পেয়ে গেলেন। শুক্রবার কলস্করের জামিন মঞ্জুর করেন বেঙ্গালুরুর সিটি সিভিল ও দায়রা আদালতের বিচারপতি মুরলিধারা পাই বি। তিনি স্পষ্ট বলে দেন, এই মামলার নিষ্পত্তি কতদিনে হবে জানা নেই। তাই কলস্করকে গ্রেপ্তার করা হল। এই মামলায় আগেই ১৬ অভিযুক্ত মুক্তি পেয়েছিলেন। শেষ অভিযুক্ত মুক্তি পেয়ে যাওয়ায় গৌরী লঙ্কেশ খুনে আর কোনও অভিযুক্তই জেলে নেই।

প্রসঙ্গত, জীবিত অবস্থায় ধর্মীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন গৌরী লঙ্কেশ। তিনি হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির তীব্র সমালোচক ছিলেন। চল্লিশ বছর আগে তাঁর বাবা যে ‘লঙ্কেশ পত্রিকা’ শুরু করেছিলেন, গৌরী পরে তার সম্পাদক ছিলেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে ‘কমিউনাল হারমনি ফোরাম’ নামে একটি গোষ্ঠীকে ক্রমাগত উৎসাহ দিতেন তিনি। যে গোষ্ঠী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির স্বপক্ষে এবং দক্ষিণপন্থী হিন্দুত্ববাদের বিপক্ষে জনমত সংগঠিত করত। আর তা নিয়ে গোয়ার হিন্দুত্ববাদী সনাতন সংস্থা বা হিন্দু জন জাগৃতির সঙ্গে তাঁর অশান্তি শুরু হয়েছিল। অভিযোগ, ওই সংগঠনের সদস্যরাই গৌরীকে খুন করেছে। যদিও প্রমাণের অভাবে সব অভিযুক্তই এখন জামিনে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.