প্রয়াত বিশিষ্ট শিল্পপতি বিজয়পত সিংহানিয়া (Vijaypat Singhania)। শনিবার ৮৭ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন রেমন্ড গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তাঁর মৃত্যুসংবাদ জানিয়েছেন ছেলে গৌতম সিংহানিয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। রবিবার দুপুরে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
বিজয়পতের জন্ম ১৯৪৩ সালের ৪ অক্টোবর। ছোটবেলা থেকেই পারিবারিক কলহের মধ্যে বড় হয়েছেন তিনি। ১৯৪৪ সালে ইডি সাসুন অ্যান্ড কোম্পানির হাত থেকে রেমন্ড কিনেছিলেন বিজয়পতের বাবা এলকে সিংহানিয়া। সেই সম্পত্তি আবার একসময় দখল করার চেষ্টা করেন তাঁর কাকা গোপাল কৃষ্ণ সিংহানিয়া। আইনি জটিলতার পর ১৯৮০ সালে রেমন্ড গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান পদে বসেন বিজয়পত। ১৯৮০ সালে থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত, সমগ্র রেমন্ড সাম্রাজ্যের প্রধান ছিলেন বিজয়পত। শুধুমাত্র কাপড় প্রস্তুতকারক থেকে তিনি ব্যবসাকে কৃত্রিম কাপড়, ডেনিম, ইস্পাত, ফাইল এবং সিমেন্ট উৎপাদনকারীতে পরিণত করেছিলেন। অনিল অম্বানি, মুকেশ অম্বানি, গৌতম আদানি বা ভারতের অন্যান্য সুপরিচিত ধনকুবেরদের চেয়েও ধনী ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
২০০০ সালে ছেলে গৌতম সিংহানিয়াকে নিজের পুরো সম্পত্তিই লিখে দেন তিনি। কিন্তু তারপরই ছেলের সঙ্গে বিবাদ শুরু। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে একসময় বাড়ি ছেড়ে মুম্বইয়ের গ্র্যান্ড পারাডি সোসাইটিতে একটি ভাড়াবাড়িতে উঠে যেতে হয় তাঁকে। সেসময় আভিজাত্য বজায় রাখতে রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। শেষে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৫ থেকে ২০২৪ প্রায় ৯ বছর ছেলের সঙ্গে আইনি লড়াই চলে। তবে ২৪-এ সবটা মিটমাট হয়ে যায়। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত ছেলের সঙ্গেই ছিলেন তিনি।
ব্যবসার পাশাপাশি নামী পাইলটও ছিলেন বিজয়পত। আকাশপথে একাধিক রেকর্ডেরও মালিক তিনি। ২০০৬ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী দেওয়া হয়। তাঁর প্রয়াণে শোকবিহ্বল ঘনিষ্ঠ মহল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
২৪ ভারতীয় নাবিক থাকা বাণিজ্যতরীতে হামলা, দায় স্বীকার করে কী জবাব ‘বন্ধু’ আমেরিকার?
-
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স! তোলাবাজির অভিযোগ উঠতেই গ্রেপ্তার ২ বিজেপি নেতা
-
কীসের খোঁজে কালীঘাটের তৃণমূল দপ্তরে তল্লাশি সিআইডির? মমতার বাড়িতে ঢুকে ‘নাটক’ কল্যাণের
-
রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে আর পার্টি অফিস নয়, দরজা বন্ধ করলেন পার্থ ভৌমিক, দিল্লিতেও ঠাঁইনাড়া তৃণমূল!
-
নগ্ন হয়েই বিলাসবহুল ক্রুজে! জনপ্রিয় এই ভ্রমণে অংশ নিতে গেলে মানতে হবে কোন শর্ত?