Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
NEET

স্তনে হাত দিয়ে, অন্তর্বাস খুলিয়ে ‘চেকিং’! নিট দিতে গিয়ে অসম্মানিত ছাত্রীরা, তুঙ্গে বিতর্ক

জানা গিয়েছে, ঋতুস্রাব চলাকালীন পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন এক ছাত্রী। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে রীতিমতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হল তাঁর। অন্তর্বাস খুলে ঋতুস্রাবের প্রমাণ দিতে হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২২:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২২:১৯

options
link
স্তনে হাত দিয়ে, অন্তর্বাস খুলিয়ে ‘চেকিং’! নিট দিতে গিয়ে অসম্মানিত ছাত্রীরা, তুঙ্গে বিতর্ক zoom
নিটের পুনঃপরীক্ষায় জালিয়াতি রুখতে বজ্রআঁটুনি কেন্দ্রের।

নিট নিয়ে গত দেড়মাসে একের পর এক বিতর্ক হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের জেরে পরীক্ষা বাতিল হয়। তারপর গত রবিবার দেশজুড়ে আবারও পরীক্ষায় বসেন ২২ লক্ষ পড়ুয়া। সেদিনই বিতর্কিত ঘটনাটি ঘটেছে মালদার একটি স্কুলে। জানা গিয়েছে, ঋতুস্রাব চলাকালীন পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলেন এক ছাত্রী। কিন্তু পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে রীতিমতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হল তাঁর। ওই পরিক্ষার্থী জানিয়েছেন, তাঁকে অন্তর্বাস খুলে ঋতুস্রাবের প্রমাণ দিতে হয়।

সোশাল মিডিয়ায় গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন মালদার বিভূতিভূষণ হাই স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাওয়া ওই ছাত্রী। তাঁকে এক মহিলা কর্মী জিজ্ঞাসা করেন, ঋতুস্রাব চলছে কিনা। উত্তরে হ্যাঁ বলতেই তাঁকে অন্তর্বাস খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। লজ্জায়, অপমানে কুঁকড়ে গিয়ে সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য হন তিনি। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, এইভাবে পরীক্ষা করার নিয়ম কি সত্যিই আছে? যদি এই নিয়ম থাকে তাহলে সেটা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার প্রয়োজন। কারণ এহেন আচরণ আসলে সিকিয়োরিটি চেকের নামে অসম্মান করা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই পরীক্ষার্থীর পোস্টে কমেন্ট করেন বহু নেটিজেনরা। কেউ জানান, ঋতুস্রাবের প্রমাণ দেখাতে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল। কেউ বলেন, হুক থাকার কারণে অন্তর্বাস ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে হয়েছে। এমনকি পোশাকের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে আপত্তিকরভাবে স্পর্শও করেছেন মহিলা পুলিশকর্মীরা। কেউ বা চেপে ধরেছেন গোপনাঙ্গ। এমনই নানা অসম্মানজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে নিটের মহিলা পরীক্ষার্থীদের। কেবল চলতি বছর নয়, গত কয়েকবছর ধরেই এমনটা চলে আসছে বলে দাবি নেটিজেনদের অধিকাংশের।

পরীক্ষার ঠিক আগেই এমন অসম্মানজনক অভিজ্ঞতার দরুণ অধিকাংশ ছাত্রীরাই ঠিকমতো পরীক্ষা দিতে পারেননি। নেটিজেনদের একজন লিখেছেন, পরীক্ষার সময় অত্যন্ত ঘৃণ্য লেগেছে নিজেকে। অনেকের মতে, অন্তর্বাস সামলাতেই অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে। যদিও নিটের প্রত্যেক কেন্দ্রেই যে এমন ঘটনা ঘটেছে তা নয়। অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা যথাযথভাবে পরীক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু যাঁদের অপমানজনক অভিজ্ঞতা হয়েছে, তাঁদের প্রশ্নের জবাব দেবে কে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.