Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
FCRA Bill

প্রবল আপত্তি বিরোধীদের, ‘বিতর্কিত’ FCRA বিল যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠাল কেন্দ্র

ইঙ্গিত মিলেছিল একদিন আগেই। সেই পথেই হাঁটল কেন্দ্র। বুধবার লোকসভায় বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর জন্য একটি প্রস্তাব পেশ করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৭:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১৭:১৮

options
link
প্রবল আপত্তি বিরোধীদের, ‘বিতর্কিত’ FCRA বিল যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠাল কেন্দ্র zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ইঙ্গিত মিলেছিল একদিন আগেই। সেই পথেই হাঁটল কেন্দ্র। বিতর্কিত FCRA বিল (FCRA Bill) পাশে কোনওরকম তাড়াহুড়ো না করে সেটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠাল মোদি সরাকার। বিরোধীরা চাইছিল বিলটি পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হোক। কিন্তু সেই দাবি না মেনে বিলটি নিয়ে আরও আলোচনার জন্য সেটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র।

বুধবার লোকসভায় বিলটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর জন্য একটি প্রস্তাব পেশ করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। সঙ্গে সঙ্গে সেটা নিয়ে আপত্তি করে গোটা বিরোধী শিবির। অখিলেশ যাদব সাফ বলে দেন, “গোটা বিরোধী শিবির এই বিলটির প্রত্যাহার চাইছে। এটাকে প্রত্যাহার করতেই হবে।” রীতিমতো বাদানুবাদও হয় অখিলেশ এবং রিজিজুর। অখিলেশ বলেন, “এই সরকার যা যা বিল এনেছে সব সংখ্যালঘু বিরোধী।” পালটা রিজিজু চ্যালেঞ্জ করেন, “এই বিলে এমন একটা শর্ত দেখান, যেটা সরাসরি সংখ্যালঘু বিরোধী।” এই বাদানুবাদের মধ্যেই ধ্বনিভোটে প্রস্তাব পাশ হয়ে যায়। অর্থাৎ বিলটি এবার যৌথ সংসদীয় কমিটিতে গেল।

Advertisement

বস্তুত, এ বছর ২৫ মার্চ সংসদে বিলটি পেশ হলেও সেটি নিয়ে এখনও কোনওরকম আলোচনা হয়নি। আসলে বিলটি সংসদে পেশ হওয়ার পর থেকেই সেটির কয়েকটি ধারা নিয়ে জোরালো আপত্তি তুলেছে বিরোধী দলগুলি। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি যদি বিদেশি অনুদান গ্রহণের অনুমতি (লাইসেন্স) হারায়, তবে তাদের তৈরি সম্পত্তি– স্কুল, হাসপাতাল কিংবা উপাসনালয় একটি নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের হাতে চলে যেতে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়, এই প্রক্রিয়াটি হবে প্রায় স্বয়ংক্রিয়, কোনও বিচারকের পর্যালোচনা ছাড়াই। সেটিই বিরোধীদের মূল আপত্তির জায়গা।

কেন্দ্রের অবশ‌্য বক্তব‌্য, দেশের স্বার্থেই এই বিল আনা হয়েছে যাতে বিদেশি অর্থ ভারতে জঙ্গি তৎপরতা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপে ব্যবহার করা না যায়; জনকল্যাণে বিদেশি অর্থ পেতে সরকার কোনও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে না। বিগত কয়েকদিন ধরে লাগাতার ক্যাথলিক চার্চ থেকে শুরু করে এর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন অংশীদারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন খোদ অমিত শাহ। সব ধর্মীয় সংস্থাকে বোঝানো হয়েছে, এই বিলে আপত্তির কিছু নেই। আমেরিকা এবং জার্মানি-সহ যে সব দেশ থেকে এই বিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল, তাঁদেরও জবাব দিয়েছে নয়াদিল্লি।

কিন্তু শেষমেশ বিলটিকে দ্রুত পাশ না করিয়ে সেটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারপক্ষ। বিরোধীরা চাইছিল, পুরোপুরি বিলটি প্রত্যাহার করা হোক। কারণ তাঁদের আশঙ্কা যে জেপিসি গঠন হবে, সেটাতেও সেই বিজেপি তথা এনডিএরই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকবে, ফলে জোর করে সেখান থেকেও নিজেদের মনের মতো করে শর্ত চাপিয়ে দেবে বিজেপি। কিন্তু সেই দাবিতে আমল দেয়নি সরকার। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.