Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Odisha

ছেলের দেহ ‘দাহ’ করেছিলেন মা, সিঁদুর মুছেছিলেন স্ত্রী, শেষকৃত্যের ১ মাস পর ঘরে ফিরল যুবক!

জানা গিয়েছে, গত ২৭ জুলাই মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবক বাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, তারপর আর ফেরেননি তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৮:৩০

options
link
ছেলের দেহ ‘দাহ’ করেছিলেন মা, সিঁদুর মুছেছিলেন স্ত্রী, শেষকৃত্যের ১ মাস পর ঘরে ফিরল যুবক! zoom
ওড়িশায় ঘরে ফেরা 'মৃত' যুবকের মা।
Advertisement

ছেলেকে নিজের হাতে দাহ করে এসেছিলেন মা, সিঁথির সিঁদুর মুছে বিধবা হয়েছিলেন স্ত্রী। এক মাস ঘুরতেই মোড় ঘুরে গেল! বাড়ি ফিরল বছর উনত্রিশের যুবক। ১ মাস আগেই নিয়ম-রীতি মেনে যাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছিল। পরিবারের কাছে ‘মৃত’ হয়েও বাড়ি ফিরল সেই যুবক। ওড়িশার ধেনকানাল এলাকার ঘটনা। হকবাক প্রতিবেশীরা।

জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম সনাতন নায়েক। বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে উদ্ধার হওয়া দেহ দেখে তাঁকে শনাক্ত করেছিল পরিবার। মূলত তাঁর জামার রঙেই পরিবার ভেবেছিল মৃতদেহটি সনাতনের। যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ পরিবারের হাতে তুলে দেয়। নিয়ম-রীতি মেনে তাঁর দেহ সৎকারও করে পরিবার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, গত ২৭ জুলাই মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবক বাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, তারপর আর ফেরেননি তিনি। ১০ দিন পর ওই যুবকের বাড়ির পাশে একটি ধানখেতে অজ্ঞাত পরিচয়ের আধপচা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় নায়েক পরিবারকেও। 

শেষকৃত্যের এক মাস পর বাড়ির দরজায় এসে হাজির সেই যুবক। জানা গিয়েছে, গত ২৭ জুলাই মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবক বাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, তারপর আর ফেরেননি তিনি। বহু খোঁজাখুজি করেও তাঁর হদিশ পায়নি পরিবার। নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল পুলিশে। ১০ দিন পর ওই যুবকের বাড়ির পাশে একটি ধানখেতে অজ্ঞাত পরিচয়ের আধপচা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় নায়েক পরিবারকেও। উদ্ধার হওয়া দেহের পরনের জামা দেখে তাঁকে সনাতন হিসেবে শনাক্ত করে পরিবার। এবং পরিবারের কথা মতোই ময়নাতদন্তের পর সৎকারের জন্য দেহটি পরিবারের হাতে হস্তান্তর করে পুলিশ।

ঘটনার এক মাস পর পরিবার জানতে পারল সনাতন বেঁচে আছে। কীভাবে সম্ভব? হতবাক পরিবার-প্রতিবেশীরা। সনাতনের মা মঞ্জু নায়েক জানিয়েছেন, “পুলিশের খবর পেয়ে আমাদের যে দেহটি দেখেছিলাম, ধানখেতের জলে ফুলে উঠে পচন ধরেছিল তাতে। মুখ বোঝা যায়নি। যে জামা পরে আমার ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল, সেই জামার রঙের সঙ্গে মিল দেখেই আমরা ভেবেছিলাম দেহটি আমার ছেলেরই। বাড়ির কাছের ওই ধানখেতে প্রায়ই যেত সনাতন। তা ভেবেই আমরা নিশ্চিত করেছিলাম পুলিশকে।” এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নিজের ছেলে ভেবে যাঁর দেহ দাহ করেছিল নায়েক পরিবার। সেটি আসলে কার ছিল, তার তদন্ত করছে পুলিশ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.