সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুল্কযুদ্ধের দুঃসময় পেরিয়ে সন্ধির পথে ভারত ও আমেরিকা। শীঘ্রই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হতে চলেছে বলে সোমবার বার্তা দিলেন ট্রাম্পের সহকারী মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক। তিনি জানালেন, দুই দেশ নিজেদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে যৌথ সমাধানের পথ বেছে নিয়েছে। আশার বার্তা দিয়ে হাওয়ার্ড বলেন, ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষর আর বেশি দূরে নেই। শীঘ্রই এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করব আমরা।
মার্কিন-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাওয়ার্ড লুটকানিক বলেন, “বাণিজ্যচুক্তির লক্ষ্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদলের বৈঠকের পর আমরা উভয় দেশের জন্য কার্যকরী একটি সমাধানের রাস্তা পেয়েছি। ফলে আপনারা ভারত ও আমেরিকার মধ্যে শীঘ্রই একটি বাণিজ্য চুক্তি আশা করতে পারেন।” তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রতিনিধিদল ৫ বা ৬ জুন ভারতে আসতে পারে। উভয় দেশের লক্ষ্য জুনের শেষ সপ্তাহের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করা। পাশাপাশি আমেরিকার বার্তা, এই বাণিজ্য চুক্তি কেবল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে উন্নত করবে না, বরং প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের ক্ষেত্রেও একে অপরের সহযোগিতামূলক পথ চলাকে উৎসাহিত করবে।
উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের অধীশ্বর হওয়ার পরই বিশ্বব্যাপী শুল্কযুদ্ধের ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় বাদ ছিল না ভারতও। মার্কিন পারস্পরিক শুল্ক নীতির জেরে চাপ বাড়ে নয়াদিল্লির। যদিও আলোচনায় সমাধান খোঁজার পথে হেঁটে সেই নীতির উপর ৯০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৮ জুলাই। এই সময়কালের মাঝেই সহজ বাণিজ্যের পথ খুঁজতে দফায় দফায় বৈঠকে বসেন দুই দেশের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল গত সপ্তাহে এক বৈঠকে জানিয়েছিলেন ভারত আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির পথে অনেকখানি এগিয়েছে। এরইমাঝে সোমবার আমেরিকা থেকে মিলল সবুজ সংকেত।
সর্বশেষ খবর
-
‘যেখানে হাত দিচ্ছি পচা-দুর্গন্ধ, ব্রিগেডকে জেল বানাতে হবে’, তৃণমূলকে খোঁচা শুভেন্দুর
-
রামমন্দিরে ভক্তদের দানের কোটি কোটি টাকা উধাও! আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে বিস্ফোরক অখিলেশ
-
নবান্নে শুভেন্দু-অশ্বিনী বৈঠকে কাটল জট, অবশেষে কাজ শুরু হাওড়ার বামনগাছি রেলব্রিজের
-
এবার কি টেস্ট দলেও সুযোগ? ‘নিয়মিত প্র্যাকটিস করছি’, আত্মবিশ্বাসী বৈভব
-
পারফরম্যান্স নয়, টি-টোয়েন্টি দল থেকে অন্য কারণে বাদ শুভমান! প্রকাশ্যে বিস্ফোরক রিপোর্ট