Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৬ জুন ২০২৬
Mango Banned

ল্যাংড়া, আলফনসোয় বিষ! জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

এপ্রিল-মে মাস থেকেই ভারতীয় আমের রপ্তানি ঠেকাতে নেপাল সীমান্তের চেকপয়েন্টগুলোকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৮:১১

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০২৬, ১৮:১১

options
link
ল্যাংড়া, আলফনসোয় বিষ! জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম zoom
ফাইল ছবি।

জাপানের পর এবার নেপালের মাটিতেও নিষিদ্ধ ভারতের আম। মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের অভিযোগ! আর এরপরেই নেপালে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভারতের আম। নেপালের কৃষি ও পশুপালন মন্ত্রক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভারত থেকে আমদানি করা আমের কিছু চালানে অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি পরিমাণে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাপান একই কারণে আলফনসো, কেশর, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লির মতো বিখ্যাত ভারতীয় আমের আমদানির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পরপর দুই দেশে আম রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মালদহ, মুর্শিদাবাদ, কৃষ্ণনগর-সহ বিভিন্ন প্রান্তের আম চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। জানা গিয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তার কারণে নেপালের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক ভারতীয় আমের আমদানির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, এপ্রিল এবং মে মাসে কোয়ারেন্টাইন চেকপয়েন্টগুলোতে ভারতীয় আমের কয়েকটি চালানে অনুমোদিত সীমার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে রাসায়নিক কীটনাশক মিলেছে। ওই কারণে জাপানের পথ অনুসরণ করতে বাধ্য হয়েছে নেপাল। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সম্প্রতি জাপান একই কারণে আলফনসো, কেশর, ল্যাংড়া এবং বঙ্গনপল্লির মতো বিখ্যাত ভারতীয় আমের আমদানির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পরপর দুই দেশে আম রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মালদহ, মুর্শিদাবাদ, কৃষ্ণনগর-সহ বিভিন্ন প্রান্তের আম চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে।

জানা গিয়েছে, এপ্রিল-মে মাস থেকেই ভারতীয় আমের রপ্তানি ঠেকাতে নেপাল সীমান্তের চেকপয়েন্টগুলোকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেপাল সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দেশবাসীর স্বাস্থ্য তাদের অগ্রাধিকার পাবে। খাদ্যের গুণগত মানের সঙ্গে আপোস করা হবে না।

গ্রীষ্মে ভারতীয় রসালো ফল আমের চাহিদা নেপালে বেড়ে যায়। কারণ, নেপালে খুবই সামান্য আম উৎপাদন হয়। দেশের চাহিদা মেটাতে ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমাণে আম আমদানি করেন। কিন্তু, ভারতীয় আমের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় ভারতের আম চাষিদের মতো নেপালের ফল ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ বেড়েছে। জানা গিয়েছে, বছরে গড়ে ৩ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ভারতীয় আম নেপালে রপ্তানি হয়ে থাকে। যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪০ কোটি টাকা। মিষ্টি স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য নেপালের বাজারে অত্যন্ত সমাদৃত উত্তর ভারতের রসালো এবং মিষ্টি দশেরি, কেশর-সহ মালদহ ও মুম্বইয়ের বিভিন্ন প্রজাতির আম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.