Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jagdeep Dhankhar

জোটেনি মাথার উপর ছাদটুকু! একবছর ধরে অন্যের বাড়িতে ধনকড়, কেন এই দুর্দশা প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির?

গোটা দেশকে চমকে দিয়ে উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময়। কিন্তু জগদীপ ধনকড়ের মাথার উপর কার্যত ছাদ নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৪:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ১৪:১৭

options
link
জোটেনি মাথার উপর ছাদটুকু! একবছর ধরে অন্যের বাড়িতে ধনকড়, কেন এই দুর্দশা প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির? zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

গোটা দেশকে চমকে দিয়ে উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে এক বছরেরও বেশি সময়। কিন্তু জগদীপ ধনকড়ের (Jagdeep Dhankhar) মাথার উপর কার্যত ছাদ নেই। ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে একগুচ্ছ সুবিধা তাঁর প্রাপ্য। তার মধ্যে অন্যতম হল একটি টাইপ এইট বাংলো। কিন্তু বছর ঘুরলেও সেই বাংলো হাতে পাননি ধনকড়। অসুস্থ অবস্থায় তাঁর দিন কাটছে অভয় সিং চৌটালার ফার্মহাউসে।

ভাইস প্রেসিডেন্টস পেনশন অ্যাক্ট ১৯৯৭ অনুযায়ী, ভারতের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি মাসিক ২ লক্ষ টাকা পেনশন পাবেন। এছাড়াও টাইপ এইট (পদাধিকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর) বাংলো পাবেন নিজের পছন্দমতো স্থানে। ওই বাড়ির ভাড়া, ইলেকট্রিক, জল, ফোন, আসবাব-সমস্ত কিছুই বিনামূল্যে পাবেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি। এছাড়াও রেল এবং বিমানে যাতায়াত, চিকিৎসার খরচও নেওয়া হয় না তাঁর থেকে। এই যাবতীয় সুযোগসুবিধা ধনকড়েরও প্রাপ্য।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু এখনও প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির জন্য বাংলোর ব্যবস্থা হয়নি বলেই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। উল্লেখ্য, ধনকড়ের আগে উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন এম ভেঙ্কাইয়া নায়ডু। তাঁর ইস্তফার মাস দুয়েকের মধ্যেই বাংলোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল ধনকড়ের কপালে এখনও জোটেনি বাংলো। ইস্তফা দেওয়ার ৬ সপ্তাহ পরে তিনি থাকতে শুরু করেন হরিয়ানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌটালার পুত্র অভয়ের ফার্ম হাউসে। ঘনিষ্ঠদের মতে, কয়েকদিনের জন্য ওই ফার্মহাউসে গিয়েছিলেন ধনকড়। কিন্তু একবছর ধরে সেখানেই থাকতে হচ্ছে তাঁকে।

গোটা বিষয়টি নিয়ে ধনকড় চুপ। প্রতিক্রিয়া মেলেনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও। কেন এমন অবস্থা? উত্তর জানা নেই কারোওর। প্রসঙ্গত, জুলাই মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ধনকড়। জয়পুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। হৃদরোগে আক্রান্ত ধনকড়ের অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিও হয়। উল্লেখ্য, ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জগদীপ ধনকড়। এরপর দেশের উপরাষ্ট্রপতি পদে তাঁকে নিয়োগ করা হয়। ২০২৫ সালের ২১ জুলাই গোটা দেশকে অবাক করে এই পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। তারপর কার্যত লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যান ধনকড়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.