এ যেন ‘ছিল রুমাল, হয়ে গেল একটা বেড়াল।’ এক সামান্য মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছিল মুম্বই পুলিশ। সাকিনাকার বাসিন্দা ইরফান আনসারির কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় ২০০ নেশার বড়ি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই সন্ধান মিলতে থাকে একের পর এক অভিযুক্তের। আর সেখান থেকেই সন্ধান মেলে এক ‘ড্রাগ ক্যুইনে’র। কল্যাণের অভিজাত পাড়ায় তার বাড়ি। সেখান থেকেই সন্ধান মিলল ৬ কোটির মাদকের। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ রয়েছে বলেই অনুমান পুলিশের।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যে, মাদক সরবরাহের ব্যবসায় নামার আগে ওই যুবতী একটি ড্যান্স বারে কাজ করত। সে দু’বার বিয়ে করেছে। তাঁর এক স্বামীর অপরাধমূলক রেকর্ডও রয়েছে। পুলিশ বর্তমানে তার অতীতের যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক সংযোগগুলো খতিয়ে দেখছে। কীভাবে বার নর্তকী থেকে সে ড্রাগ চোরাচালানের ‘কিংপিন’ হয়ে উঠল এখন সেটা নিয়েই মাথা ঘামাচ্ছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মাদকবিরোধী সেল তদন্তের গতি বাড়িয়েছে। এবং এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ওই মহিলার সন্ধান পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে তল্লাশির পরিকল্পনা করেনি পুলিশ। বরং দিন তিনেক ধরে ধীরে ধীরে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। আর তারপরই গত শনিবার রাতে ওই মহিলার বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। এদিকে অভিযুক্ত মহিলার ধারণা ছিল, পুলিশ তার সন্ধানই পাবে না। আর সেই কারণেই নিজের বাড়িতে বিপুল পরিমাণে মাদক জড়ো করেছিল সে। কেবল মাদক বড়িই ছিল প্রায় পাঁচ হাজার। পুলিশ মাদক ছাড়াও ৭-৮টি সিম কার্ড ও পাঁচটি মোবাইল ফোন আটক করেছে সেখান থেকে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, দুই এমবিএ পড়ুয়ার মাদকের ওভারডোজে মৃত্যু হতেই পুলিশ আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে থাকে। আর তার ফলেই শেষপর্যন্ত তারা পৌঁছে গিয়েছে চক্রের একেবারে শীর্ষে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে স্বস্তির জয় মেসিহীন আর্জেন্টিনার, জিতলেও চোট চিন্তায় ব্রাজিল
-
বনগাঁ কাণ্ডে বারবার সমনেও গরহাজির! ‘ভুয়ো খবর’-এ আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মিমির
-
মধ্যরাতে মদন মিত্রের গাড়িতে হামলা, ছোঁড়া হল ডিম! বললেন, ‘মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম’
-
তালশাঁস তো ঢের খেয়েছেন, কিন্তু লস্যি থেকে পায়েস, সেরা ৩ সুস্বাদু রেসিপি জানেন?
-
‘বেকার বলে স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না স্বামী’, বলল দিল্লি হাই কোর্ট