কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) মঙ্গলবার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)-এর পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
একটি সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, কানাড়া ব্যাঙ্ক এবং ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সিবিএসই-র ফলাফল-পরবর্তী ও পুনঃমূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সময় শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক অর্থপ্রদান ও প্রযুক্তিগত সমস্যা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী একটি শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন, বিশেষত পরীক্ষা-পরবর্তী পরিষেবা, পুনর্মূল্যায়ন, উত্তরপত্রের ফটোকপি সংগ্রহ এবং অন্যান্য ফি-ভিত্তিক প্রক্রিয়ার জন্য। তিনি ব্যাঙ্কগুলোকে সিবিএসই-কে শক্তিশালী পেমেন্ট প্রোটোকল প্রতিষ্ঠায় সাহায্যের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে সময়মতো লেনদেন, পেমেন্ট-সংক্রান্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান, অতিরিক্ত বা ব্যর্থ পেমেন্টের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা যায়।
আরও পড়ুন:
ব্যাঙ্কগুলোকে সিবিএসই-কে শক্তিশালী পেমেন্ট প্রোটোকল প্রতিষ্ঠায় সাহায্যের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে সময়মতো লেনদেন, পেমেন্ট-সংক্রান্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান, অতিরিক্ত বা ব্যর্থ পেমেন্টের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা যায়।
এদিকে, চলতি বছরের ১৩ মে প্রকাশিত হয়েছিল সিবিএসই-র দ্বাদশের ফল। কিন্তু তার পরই ওঠে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। দ্বাদশের দুই পড়ুয়া, বেদান্ত এবং সঞ্জনা অভিযোগ তোলেন পোস্ট-রেজাল্ট সিস্টেম নিয়ে। আরও স্পষ্ট করে বললে, সদ্য কার্যকর হওয়া ‘অনস্ক্রিন মার্কিং’ (ওসিএম) প্রক্রিয়া নিয়ে। তাঁদের দাবি ছিল, কম্পিউটার স্ক্রিনে যে উত্তরপত্রের স্ক্যান করা ছবি তাঁদের বলে দাবি করে তাঁদের দেখানো হয়েছে, তা তাঁদের নয়। অন্য কোনও পড়ুয়ার। হাতের লেখা থেকে শুরু করে দু’টি শব্দের মধ্যে ব্যবধান (স্পেস) প্রভৃতি দেখেই তাঁদের মনে সন্দেহ হয়। বিষয়টি তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
অভিযোগ খতিয়ে দেখার পর, সিবিএসই-র তরফে তা মেনেও নেওয়া হয়। বেদান্ত এবং সঞ্জনাকে জানানো হয়, সঠিক উত্তরপত্রটি পরে আপলোড করে দেওয়া হয়েছে। এবং সেই অনুযায়ী ফলাফলও আপডেট করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে গোটা পরীক্ষা পদ্ধতির সম্পাদন নিয়ে। যা বেদান্ত এবং সঞ্জনার সঙ্গে ঘটেছে, তা অন্য কোনও পরীক্ষার্থীর সঙ্গেও ঘটতে পারে। আরও বড় কথা হল, সিবিএসই জানিয়েছিল, ওসিএম প্রক্রিয়ায় গলদের অভিযোগ ওঠার পর তারা ৯.৮ মিলিয়ন উত্তরপত্রের মধ্যে ১৩,০০০-এরও বেশি উত্তরপত্র হাতে-কলমে খতিয়ে দেখেছে। অর্থাৎ ওই দুই পরিক্ষার্থী ছাড়াও কি তাহলে আরও এই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল, যার জন্য এই বিপুল পদক্ষেপ?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ঠোঁটে কালশিটে গাল ফুলে ঢোল, এলোমেলো চুলে বিবর্ণ মিমি! আচমকা কী হল অভিনেত্রীর?
-
সারাদিন মিলবে না কোনও অ্যাপ ক্যাব-বাইক! ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটে যাত্রী নাকালের আশঙ্কা
-
পিতা-পুত্রের রাজনৈতিক মতাদর্শের মাঝে প্রজন্ম-ফারাক! মুক্তি পেল সৃজিতের ‘উইঙ্কল টুইঙ্কল’-এর ট্রেলার
-
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তিতে ‘বেনিয়ম’, এবিভিপির নিশানায় জুটা
-
শ্রাবণ মাসে পাঁঠার মাংস চেয়েছিল ছেলে, ‘খুন’ করল বাবা, হুঁশ ফিরতেই প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা! তারপর…