সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের আদালতে তিরস্কারের মুখে ইডি। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিল মাদ্রাজ হাই কোর্ট। উচ্চ আদালত বলে দিল, ইডি চাইলেই তাদের নজরে আসা সমস্ত বিষয়ে তদন্ত করার এক্তিয়ার তাদের নেই।
পিএমএলএ বা আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধ সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে মাদ্রাজ হাই কোর্ট বলল, ইডি কোনও ড্রোন বা আত্মঘাতী অস্ত্র’ নয় যে তারা যাকে খুশি আক্রমণ করতে পারে। বা তারা কোনও সুপার কপ নয়, যে যে কোনও মামলায় হস্তক্ষেপ করবে। মাদ্রাজ হাই কোর্টের বিচারপতি এমএস রমেশ এবং বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণের ডিভিশন বেঞ্চ বলছে, “ইডি শুধু পিএমএলএ আইনের অধীনে কোনও অপরাধ সংগঠিত হলে বা অপরাধের পূর্ব ইঙ্গিত পেলে তদন্ত করতে পারে।” ওই ডিভিশন বেঞ্চ বলছে, পূর্ব অপরাধের ইঙ্গিত না মিললে পিএমএলএ-আইনের অধীনে তদন্ত করাটা প্রত্যাশিত নয়।
আরকেএম পাওয়ারজেন প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থার ৯০১ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত ফ্রিজ করা নিয়ে ইডির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল ওই সংস্থাটি। মামলাকারীদের দাবি ছিল, আইন না মেনে পদক্ষেপ করছে ইডি।
ইডির ক্ষমতা নিয়ে আগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, পিএমএলএ মামলার ১৯ নম্বর ধারায় অভিযুক্তকে ইডি গ্রেপ্তার করতে পারবে না। শুধু তাই নয়, সুপ্রিম কোর্ট এর আগে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, আর্থিক প্রতারণা মামলায় জামিন পাওয়াই দস্তুর, জেলযাত্রা ব্যতিক্রম। এবার ইডির কাজের পরিধি নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল মাদ্রাজ হাই কোর্ট।
সর্বশেষ খবর
-
আত্মনির্ভরতায় জোর, জলে ভাসল গার্ডেনরিচে তৈরি ‘শ্রুতি’, কতটা শক্তিশালী নৌবাহিনীর এই জাহাজ?
-
গুটিকয়েক কর্মীর বেতন দিতেই মাসিক ৫১ লক্ষ! সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল কালীঘাট তৃণমূলের খরচের বহর
-
শ্রীলঙ্কাতেও তাড়া করছে অস্ট্রেলিয়ার জুজু! টেস্টের আগে বিশেষ আবদার গম্ভীরদের, সুযোগ পাবেন নবি?
-
৯৬ ঘণ্টা পার, এখনও বাংলাদেশে আটকে জলপাইগুড়ির চাষি, দীপঙ্করের পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ
-
রক্তের জোগান, খরচ ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা, একটি সামাজিক দায়