সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফার পর আর সর্বসমক্ষে দেখা যায়নি জগদীপ ধনকড়কে। এভাবে তাঁর লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে বিস্তর। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এক তেলেগু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন তুলে ধরে কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হল, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করেছেন ধনকড়। তবে সরকারের তরফে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডেলে এই সাক্ষাতের কথা প্রকাশ্যে এনে কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা জয়রাম রমেশ লেখেন, ‘রাজ্যসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান গত ২১ জুলাই সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ। ওনাকে দেখা যায়নি, ওনার কোনও খোঁজও কেউ দিতে পারেননি। তবে সম্প্রতি এক তেলেগু সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন চেয়ারম্যান সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ৪৫ মিনিট তাঁদের গোপন বৈঠকও হয়। হচ্ছেটা কী এটা।’
The immediate former Chairman of the Rajya Sabha has gone missing since the evening of July 21st–unseen, unheard, unread.
But according to the Telugu media, the former former Chairman of the Rajya Sabha met the PM very recently for 45 minutes. What is going on?
— Jairam Ramesh (@Jairam_Ramesh) August 11, 2025
আসলে কার্যত নিখোঁজ হয়ে যাওয়া খনকড়ের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। তিনি কোথায়? তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠিও লেখেন উদ্বিগ্ন শিবসেনা (উদ্ধব) সাংসদ সঞ্জয় রাউত। চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘আমাদের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির সম্পর্কে কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি এখন কোথায় রয়েছেন? ওনার স্বাস্থ্য কেমন রয়েছে? এই বিষয়ে কোনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। রাজ্যসভার একাধিক সাংসদ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে কেউই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি।’
গত সোমবার এই চিঠি এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেন সঞ্জয়। বলেন, “দিল্লিতে এমন গুজব শোনা যাচ্ছে যে ধনকড়কে ঘরবন্দি করা হয়েছে। যেখানে রাখা হয়েছে সেখানে তিনি নিরাপদে নেই।” পাশাপাশি সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, “প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি এখন কোথায় রয়েছেন সে বিষয়ে আলোচনা হওয়া উচিৎ। এই বিষয়ে আদালতে যাওয়ার আগে সরকারের কাছে এই বিষয়ে প্রশ্ন রাখা উচিৎ বলে আমি মনে করেছি। আশা করছি শীঘ্রই এর জবাব পাব।”
উল্লেখ্য, সকলকে অবাক করে গত ২১ জুলাই হঠাৎ নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়। তাঁর এই ইস্তফা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয় জাতীয় রাজনীতিতে। এই ইস্তফার কারণ হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা বলেন তিনি। তবে একদিন আগেও যিনি সংসদে বহাল তবিয়তে কাজ করেছেন। অতীতে অসুস্থ হওয়ার মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে যিনি সংসদের কাজে যোগ দিয়েছেন তাঁর এমন ইস্তফা স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা বাড়ায়। কংগ্রেস মহাসচিব জয়রাম রমেশের সন্দেহ মোদি সরকারের চাপের মুখে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছেন ধনকড়। তাঁর কথায়, সামনে যেটুকু দেখা যাচ্ছে, পর্দার আড়ালে তার চেয়ে অনেক বড় কিছু ঘটে গিয়েছে। সেই জল্পনার মাঝেই খাড়গের নিখোঁজ হওয়া ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠক জাতীয় রাজনীতিতে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার