Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Dharmendra Pradhan

ইস্তফার ২ সপ্তাহ পার, কেন পদত্যাগ ধর্মেন্দ্রর? ‘ফাঁস’ করলেন আসল কারণ

নিটের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার পরই ধর্মেন্দ্র সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। ততদিনে যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের প্রতিবাদ শুরু হয়ে গিয়েছে, অনশনে বসেছেন সোনম ওয়াংচুক। ইস্তফা দিতে চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানান ধর্মেন্দ্র, কিন্তু সেটা মঞ্জুর হয়নি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ১৩:২৪

options
link
ইস্তফার ২ সপ্তাহ পার, কেন পদত্যাগ ধর্মেন্দ্রর? ‘ফাঁস’ করলেন আসল কারণ zoom
ধর্মেন্দ্র প্রধান। ফাইল ছবি।
Advertisement

‘ককরোচ’দের চাপের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। দু’সপ্তাহ পর অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। কেন পদত্যাগ করেছিলেন, তার আসল কারণও ফাঁস করলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

শনিবার ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি কলেজের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন ধর্মেন্দ্র। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “জেন জি বা বর্তমান প্রজন্মের তরুণরা আমাদেরই সন্তান। আমার কোনও ব্যক্তিগত সমস্যা ছিল না। কিন্তু কেউ কেউ তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। ভারতে প্রতি বছর অন্তত দুই কোটি শিশুর জন্ম হয়। গত ১০ বছরে ২০ কোটি শিশুর জন্ম হয়েছে। তাদের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তারাই ভারতকে বিশ্বগুরু হিসাবে গড়ে তুলবে। শিক্ষামন্ত্রী পদ আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।” ধর্মেন্দ্র জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে সূত্রের খবর, নিটের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার পরই ধর্মেন্দ্র সরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। ততদিনে যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের প্রতিবাদ শুরু হয়ে গিয়েছে, অনশনে বসেছেন সোনম ওয়াংচুক। ইস্তফা দিতে চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন জানান ধর্মেন্দ্র, কিন্তু সেটা মঞ্জুর হয়নি। এহেন পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং একাধিক ইস্যু নিয়ে ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি এবং অন্যান্য পড়ুয়ারা। সেই অভিযানের পরই উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেও ধর্মেন্দ্র ইস্তফার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন। আবারও খারিজ হয় সেই দাবি। কারণ, মোদি সরকার মনে করে ইস্তফা দেওয়া মানে সমস্যা থেকে পালিয়ে যাওয়া। তাই ইস্তফা না দিয়ে মন্ত্রীর উচিত পদে থেকে সমস্যার সমাধান করা।

অবশেষে গত ২৫ জুলাই সকালে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি।’

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.