Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Delhi

‘বেবি, লাভ ইউ’, ‘কন্ডোম ব্যবহার করো?’, হোয়াটসঅ্যাপে আর কী ‘দুষ্টুবার্তা’ পাঠাত দিল্লির ‘বাবা’?

চৈতন্যানন্দের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন ছাত্রীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৩:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৩:০৯

options
link
‘বেবি, লাভ ইউ’, ‘কন্ডোম ব্যবহার করো?’, হোয়াটসঅ্যাপে আর কী ‘দুষ্টুবার্তা’ পাঠাত দিল্লির ‘বাবা’? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বেবি, আই লাভ ইউ।’ ‘যৌনক্রিয়ার সময় তুমি কি কন্ডোম ব্যবহার করো?’- হোয়াটসঅ্যাপে ছাত্রীদের এরকমই একাধিক অশ্লীল মেসেজ পাঠাত দিল্লির স্বঘোষিত ‘বাবা’ স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী ওরফে পার্থসারথী। তাঁর বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলতে শুরু করেছেন তরুণীরা।

জানা গিয়েছে, ছাত্রীদের পাঠানো চৈতন্যানন্দের একাধিক চ্যাট পুলিশের হাতে এসেছে। আর সেগুলি দেখেই চমকে গিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এক ছাত্রীর দাবি, চৈতন্যানন্দ তরুণীদের বিভিন্ন আপত্তিকর প্রশ্ন করত। জিজ্ঞাসা করত, তাঁদের কতজন প্রেমিক রয়েছে? সঙ্গমের সময় তরুণীরা কি কন্ডোম ব্যবহার করেন? তরুণীদের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চৈতন্যানন্দ ‘বেবি’ বলে সম্মোধন করত বলে জানা গিয়েছে। স্বঘোষিত এই ‘বাবা’র বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ উঠেছে। সে প্রত্যেক ছাত্রীদের স্নানের সময় জানতে চাইত। এমনকী মহিলাদের শৌচালয়ে গোপন ক্যামেরাও লাগিয়ে রাখত বলে অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

অপর এক ছাত্রীর দাবি, চৈতন্যানন্দ বেশিরভাগ সময়ই মহিলাদের দেহের গড়ন, তাঁদের পোশাক এবং চুলের প্রশংসা করত। এরপরই তাঁদের দিকে ছুঁড়ে দিতেন কু-ইঙ্গিত। আরও এক ছাত্রী দাবি করেছেন, হোলির সময়ে চৈতন্যানন্দ প্রতিটি ছাত্রীর গালে, মুখে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে রঙ লাগাত। নির্দেশ ছিল, ছাত্রীদের মুখে সে-ই প্রথম রঙ লাগাবে। আর কেউ নয়। এখানেই শেষ নয়। নানা অছিলায় রাতে ছাত্রীদের নিজের কোয়ার্টারে ডেকে পাঠাত ওই ‘বাবা’। তারপর সে তাঁদের অশালীনভাবে স্পর্শ করত বলেও অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। আরও অভিযোগ, রাত বাড়লেই ছাত্রীদের হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করা শুরু করত চৈতন্যানন্দ। সেখানে তরুণীদের একের পর এক কু-মন্তব্য করত দিল্লির ‘বাবা’।

চৈতন্যানন্দ ওরফে পার্থসারথীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা প্রথম হয়েছিল ২০০৯ সালে। সেবার তাঁর বিরুদ্ধে তহবিল তছরুপ এবং প্রতারণার অভিযোগও উঠেছে। পরে ২০১৬ সালেও এক মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছিল। এবার ফের অভিযোগ, এবং তা অনেক বড় আকারে। পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পড়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর ভলভো গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, গাড়িতে নকল নম্বর প্লেট লাগানো ছিল। তবে এখনও পর্যন্ত চৈতন্যানন্দের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.