Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Delhi Blast

গম পেশাইয়ের কলে তৈরি হয়েছিল বিস্ফোরক! দিল্লি কাণ্ডে ধৃত জঙ্গির বাড়িতে উদ্ধার যন্ত্র

প্রথমে এক ট্যাক্সিচালকের বাড়িতে ওই মেশিন নিয়ে যাওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২৫, ১২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২৫, ১২:৫৮

options
link
গম পেশাইয়ের কলে তৈরি হয়েছিল বিস্ফোরক! দিল্লি কাণ্ডে ধৃত জঙ্গির বাড়িতে উদ্ধার যন্ত্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে নেমে বড় সাফল্য। দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত, মুজাম্মিল শাকিল গানাই, একটি গম পেশাইয়ের কলে বিস্ফোরক তৈরির জন্য রাসায়নিক প্রস্তুত করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

গানাইয়ের ফরিদাবাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে আটা কল, গ্রাইন্ডার-সহ বিস্ফোরক তৈরির যন্ত্রপাতি। এখানেই ইউরিয়া মিশিয়ে বিভিন্ন রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি করা হত বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁর ফরিদাবাদের ভাড়া বাড়ি থেকে ৩৬০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং অন্যান্য বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রথমে এক ট্যাক্সি চালকের বাড়িতে ওই মেশিন নিয়ে যাওয়া হয়। নিজের বোনের বিয়ের উপহার নিয়ে যাচ্ছে বলে ট্যাক্সি চালককে জানায় ধৃত। পরবর্তীকালে নিজের ভাড়াবাড়িতে ওই মেশিন নিয়ে যায় গানাই।

Advertisement

ট্যাক্সিচালক জানিয়েছেন, নিজের ছেলেকে আল-ফালাহ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যান তিনি। সেখানেই গানাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। জিজ্ঞাসাবাদের সময়, ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার গানাই বলেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইউরিয়া থেকে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট আলাদা করতে এবং বিস্ফোরক তৈরির অন্যান্য কাজে গম পেশাইয়ের কল ব্যবহার করেন।

নাশকতার মূলে থাকা তিন আততায়ী চিকিৎসক উমর, মুজাম্মিল ও শাহিনের ২০ লক্ষের ‘মানি ট্রেল’ প্রকাশ্যে এনেছে গোয়েন্দা বিভাগ। উল্লেখ্য, দিল্লিতে বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিষ্কার জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রকারীদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণস্থল থেকে তিনটি ৯ মিমি-ক্যালিবার কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি তাজা এবং একটি খালি ছিল। ৯ মিমি-ক্যালিবার কার্তুজ সাধারণত সেনাবাহিনী ব্যবহার করে। এর অসামরিক ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কার্তুজ উদ্ধার হলেও ঘটনাস্থলে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র বা অন্যকিছু পাওয়া যায়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.