Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Terrorism

সন্ত্রাস দমনে ভারতের ‘প্রহার’, জঙ্গিদের কোমর ভাঙতে এবার নতুন ‘মন্ত্র’ নয়াদিল্লির

শাহের মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড সিরিয়ার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলি বিদেশ থেকে সন্ত্রাসবাদকে পরিচালনা করছে। সীমান্তের ওপার থেকে তাদের হ্যান্ডলাররা প্রায়ই জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৮:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৮:৫১

options
link
সন্ত্রাস দমনে ভারতের ‘প্রহার’, জঙ্গিদের কোমর ভাঙতে এবার নতুন ‘মন্ত্র’ নয়াদিল্লির zoom
জঙ্গিদের কোমড় ভাঙতে বদ্ধপরিকর ভারত।

সন্ত্রাসবাদকে সমাজ থেকে উপরে ফেলতে বদ্ধপরিকর ভারত। তাই জঙ্গিদের কোমড় ভাঙতে এবার নতুন মন্ত্রে পথ চলা শুরু করল নয়াদিল্লি। সোমবার ভারতের প্রথম সন্ত্রাস দমন নীতির সূচনা করল অমিত শাহের মন্ত্রক। যার নাম ‘প্রহার’। এই নীতিতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ এবং ‘ডিজিটাল’ যুগে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।

‘প্রহার’-এর উদ্দেশ্য হল সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসবাদীদের আর্থিক উৎসকে চূর্ণবিচূর্ণ করা। শুধু তা-ই নয়, যে উৎস থেকে তাদের হাতে অস্ত্র আসছে, সেগুলিকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ‘বিক্ষিপ্ত অস্থিরতার ইতিহাস’ রয়েছে। যাঁরা সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছে, ভারত সর্বদা তাদের পাশে থেকেছে। বিশ্বে হিংসা এবং হানাহানির কোনও জায়গা নেই। একপরই সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে পুনর্ব্যক্ত করেছে শাহের মন্ত্রক।

Advertisement

পাকিস্তানকে খোঁচা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, কিছু দেশ সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি বানিয়ে ফেলেছে। সীমান্তের ওপারে থাকে সন্ত্রাসবাদীরা ভারতকে দীর্ঘদিন ধরে রক্তাক্ত করে আসছে।

প্রহারের মূল ভিত্তিগুলি হল –

১. ভারতের সমস্ত নাগরিক এবং তাঁদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে জন্য সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

২. জঙ্গি হামলা হলে কিংবা তার আশঙ্কা থাকলে দ্রুত পদক্ষেপ করা।

৩. সমস্ত সরকারি সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা।

৪. সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে আইন মেনে এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত রেখে পদক্ষেপ করা।

৬. মৌলবাদ-সহ যে সমস্ত বিষয়গুলি সন্ত্রাসবাদে উসকানি দেয়, সেগুলিকে দমন করা।

৭. সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় গোটা বিশ্বের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।

৮. ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমাজকে শক্তিশালী করা।

পাকিস্তানকে খোঁচা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, কিছু দেশ সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতি বানিয়ে ফেলেছে। সীমান্তের ওপারে থাকে সন্ত্রাসবাদীরা ভারতকে দীর্ঘদিন ধরে রক্তাক্ত করে আসছে। তবে মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, সন্ত্রাসবাদকে ভারত কোনও নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাতির সঙ্গে মেলায় না।

শাহের মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, আল-কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড সিরিয়ার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনগুলি বিদেশ থেকে সন্ত্রাসবাদকে পরিচালনা করছে। সীমান্তের ওপার থেকে তাদের হ্যান্ডলাররা প্রায়ই জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালায়। শুধু তা-ই নয়, এসবের জন্য তারা ড্রোনও ব্যবহার করে। একইসঙ্গে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে তারা ‘ক্রিপ্টো কারেন্সি’ এবং ‘ডার্ক ওয়েবে’রও ব্যবহার করছে।

প্রসঙ্গত, রবিবারই দেশজুড়ে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল হয়েছে। আইএসআই ও বাংলাদেশে জঙ্গি গোষ্ঠীর আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের দু’জন পশ্চিমবঙ্গে লুকিয়েছিল। বাকিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে। পুলিশের দাবি, জঙ্গি হামলার ছক কষছিল তারা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরেও চলছে জঙ্গিদমন অভিযান। রবিবার কিশ্তওয়ার জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ধুন্ধুমার গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই জইশ জঙ্গির। এই আবহে সন্ত্রাস দমনে শুরু হল ভারতের ‘প্রহার’।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.