Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৮ জুন ২০২৬
Congress

৫৯ বছর পর তামিলনাড়ুতে মন্ত্রীপদ পাচ্ছে কংগ্রেস, বিজয়ের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন রাহুলের

৫৯ বছর পর তামিলনাড়ু সরকারে সরাসরি যোগ দিচ্ছে কংগ্রেস। বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দলের দুই বিধায়কের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ায় ছাড়পত্র দিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৬, ২০:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৬, ২০:২৯

options
link
৫৯ বছর পর তামিলনাড়ুতে মন্ত্রীপদ পাচ্ছে কংগ্রেস, বিজয়ের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন রাহুলের zoom
রাহুল গান্ধী ও থলপতি বিজয়। ফাইল ছবি।

দীর্ঘ ৬ দশকের অপেক্ষার অবসান। ৫৯ বছর পর তামিলনাড়ু সরকারে সরাসরি যোগ দিচ্ছে কংগ্রেস। বুধবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দলের দুই বিধায়কের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ায় ছাড়পত্র দিয়েছেন। কংগ্রেসের দুই বিধায়ক রাজেশ কুমার এবং পি বিশ্বনাথন থলপতি বিজয়ের মন্ত্রিসভায় সরাসরি যোগ দেবেন। বৃহস্পতিবারই শপথ নিতে পারেন তারা।

তামিলনাড়ুতে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত কংগ্রেসের শাসন ছিল। শেষবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে কামরাজ। তারপর তামিল রাজনীতির উত্থানে জাতীয় দল কংগ্রেস কোণঠাসা হয়ে যায়। এরপর লাগাতার ৬ দশক তামিলনাড়ুর কুরসিতে থেকেছে এআইএডিএমকে বা ডিএমকে। এর মধ্যে একাধিক সরকারকে কংগ্রেস বাইরে থেকে সমর্থন করেছে। কিন্তু সরাসরি সরকারে যোগ দেওয়ার সুযোগ হাত শিবিরের কাছে ছিল না। সেই সুযোগ এবার রাহুল গান্ধীকে দিলেন বিজয়। ৬ দশক পর বিজয়ের হাত ধরেই তাই তামিল রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন রাহুল গান্ধী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাৎপর্যপূর্ণভাবে, সদ্য যে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন হয়েছে, সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে আলোড়ন ফেলে দেওয়া ফলাফল হয়েছে তামিলনাড়ুতে। একক বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এসেছে টিভিকে। তামিলভূমে ১০৮টি আসন জিতেছে বিজয়ের দল। অল্পের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি তারা। কংগ্রেস-ডিএমকে জোটের ঝুলিতে গিয়েছে ৭৩টি আসন। এআইএডিএমকে জোট পেয়েছে ৫২টি আসন। শেষে কংগ্রেস দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী ডিএমকের সঙ্গ ছেড়ে সরকার গড়তে টিভিকে-কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেয়। বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচি, সিপিএম, সিপিআই, কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের (আইইউএমএল) মতো দলগুলিও সমর্থন করে বিজয়কে।

কংগ্রেস কেন দীর্ঘদিনের শরিক ডিএমকে-কে ছেড়ে বিজয়ের দিকে হাত বাড়াল? হাত শিবিরের যুক্তি ছিল, এর মূল কারণ অসম্মান। ডিএমকে নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন তামিলনাড়ুর স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের একাংশ। ক্ষোভের মূল কারণ – অসম্মান। সে রাজ্যে ডিএমকে কংগ্রেস জোট ক্ষমতায় থাকাকালীনও সরকারে কংগ্রেসের কোনও অংশিদারিত্ব ছিল না। সরকারে সরাসরি যোগ দেওয়ার সুযোগ ছিল না। কোনও মন্ত্রীপদ দেওয়া হত না। সমর্থন করতে হত বাইরে থেকে। স্থানীয় পুরসভা, বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ডেও কংগ্রেস নেতাদের গুরুত্ব দেওয়া হত না। এবার সবটাই দেওয়া হবে বলে দাবি কংগ্রেসের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.