হেমন্ত মৈথিল, লখনউ: উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজস্থানের প্রাক্তন রাজ্যপাল কল্যাণ সিং-এর ৯৪তম জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রবিবার লখনউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘বাবুজি’-র প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে যোগী বলেন, “কল্যাণ সিং কেবল এক জন নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদের মূর্ত প্রতীক।”
এদিন মুখ্যমন্ত্রী ১৯৯১ সালের উত্তাল সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তাঁর কথায়, সেই সময় উত্তরপ্রদেশ অরাজকতা ও অপরাধের অন্ধকারে ডুবে ছিল। সেই কঠিন সময়ে প্রথম বার বিজেপি-র পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করে রাজ্যে সুশাসনের সূচনা করেছিলেন কল্যাণ সিং। যোগী বলেন, “বাবুজির নেতৃত্বে গ্রামের গরিব মানুষ ও কৃষকরা উন্নয়নের স্বাদ পেতে শুরু করেছিলেন। মানুষের মনে আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছিল।”
রাম জন্মভূমি আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে যোগী আদিত্যনাথ জানান, রাম জন্মভূমির জন্য ক্ষমতা ছাড়তে দ্বিধা করেননি কল্যাণ সিং। তিনি বলেন, “ক্ষমতার চেয়ে আদর্শ ও ভক্তি তাঁর কাছে বড় ছিল। রামভক্তদের ভাবাবেগকে সম্মান জানিয়ে তিনি হাসিমুখে নিজের সরকার বিসর্জন দিয়েছিলেন। দাসত্বের চিহ্ন মোচনের সেই ঐতিহাসিক সঙ্কল্প পূরণে তাঁর অবদান দেশবাসী চিরকাল মনে রাখবে।”
আরএসএস-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এক জন সাধারণ কৃষকের ঘর থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির শিখরে পৌঁছেছিলেন কল্যাণ সিং। যোগীর মতে, বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল— প্রতিটি পদেই তিনি দেশাত্মবোধের পরিচয় দিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ রাজবীর সিং, বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি ভূপেন্দ্র সিং, শিক্ষামন্ত্রী সন্দীপ সিং-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। লখনউয়ের রাজপথে এ দিন কল্যাণ সিং-এর অনুগামীদের আবেগপ্রবণ জমায়েত ছিল চোখে পড়ার মতো।
সর্বশেষ খবর
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই পানামার বিরুদ্ধে নামবে ভারত, দিনক্ষণ জানিয়ে দিল ফেডারেশন
-
ঠিকভাবে উল্লেখ নেই রাস্তার নাম! কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়ে ৭ দফা আপত্তি সিপিএমের
-
হাসপাতালে থাকতে নারাজ বিমান বসু, ফিরতে চাইছেন কলকাতায়! কবে ছুটি?
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে, সুন্দরবনে প্রমোদতরী! পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের
-
আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন সেনার বিমান! ঘনাচ্ছে রহস্য, কী বলল ক্রেমলিন?