শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে ককরোচ জনতা পার্টির ধরনা। তাদের দাবি, নিট-প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার। ওই ধরনা মঞ্চেই অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী তথা গবেষক সোনম ওয়াংচুক। শনিবার তাঁর ধরনা পড়ল ১৪ দিনে।
টানা অনশন। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় থেকে কেন্দ্রকে চাপে রাখার চেষ্টা। ককরোচ জনতা পার্টির মঞ্চে সোনমের এই আন্দোলন সোশাল মিডিয়াতে বেশ ভালোরকম আলোড়ন ফেলেছে। সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই সোনমকে আধুনিক গান্ধী বলে সম্বোধন করছেন। তবে ওই সমাজকর্মীর তাতে ঘোর আপত্তি। সোনম বলছেন, “আমি গান্ধী নই। অনেকেই দেখছি সোশাল মিডিয়ায় আমাকে হিরো বলছেন, আমাকে গান্ধী বলছেন। এগুলো আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দিচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
সোনমের সাফ কথা, “আমি সাধারণ নাগরিকমাত্র। আমি নাগরিক হিসাবে নিজের কর্তব্য পালন করছি মাত্র। আপনারাও নিজেদের নাগরিক কর্তব্য পালন করুন। অন্যের মধ্যে হিরো খুঁজবেন না। নিজেদের হিরো নিজেদেরই হতে হবে।” টানা ১৪ দিনের অনশনে স্বাভাবিকভাবেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সোনম। তবে মানসিকভাবে তিনি এখনও অটুট। সোনম বলছেন, “এখন আমার শরীর অনশনে অভ্যস্ত হতে শুরু করেছে। চর্বির ক্ষয় হচ্ছে, পেশিরও। তবে মানসিকভাবে অনড়।”
সোনমের অনশনের মূল দাবি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। সমস্ত পরীক্ষাকে দুর্নীতিমুক্ত করা। নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে যে ২১ জন পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন তাঁদের পরিবারকে অন্তত ১ কোটি টাকা করে আর্থিক সাহায্য করতে হবে। সমস্যা হল ১৪ দিন অনশনের পরও কেন্দ্রের তরফে সেভাবে পাত্তাই দেওয়া হয়নি ওই বিক্ষোভকে। ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে কোনও আলোচনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়নি কেন্দ্রের তরফে। শেষ পর্যন্ত যদি কেন্দ্র কোনও সাড়া না দেয়, তাহলে আলোচনার দাবিতে আগামী বাদল অধিবেশনে সংসদ ভবন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ মিছিলের ডাকও দিয়েছে সিজেপি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নকশাল নেতা সরোজ দত্তর এনকাউন্টার দেখেছিলেন উত্তমকুমার! ন্যায়-প্রশ্নে বরাবরই বিদ্ধ পুলিশ
-
অসময়ে রথযাত্রা উদযাপন! ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভ কলিঙ্গ সেনার
-
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হকার উচ্ছেদ! আসানসোলের ৩ আধিকারিককে শোকজ
-
ঝাড়গ্রামে হাতির পাল, বন দপ্তরের কর্মীদের উপর হামলা! উলটে ফেলা হল গাড়ি
-
যত নষ্টের গোড়া আইপ্যাক! ঋতপন্থী তৃণমূলে জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত