দীর্ঘ প্রতিবাদ, সোনম ওয়াংচুকের ২২ দিনের অনশনের পর অবশেষে মন গলল মোদি সরকারের! সোমবার সংসদ অভিযানের আগে ককরোচ পার্টির (সিজেপি)(CJP) তরফে দাবি করা হল, কেন্দ্রের তরফে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। সংসদ অভিযানের ঠিক আগে সিজেপির এই দাবি শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস জানিয়েছেন, প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রের তরফে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছে। যদিও এখনও স্পষ্ট নয় সরকার পক্ষের কোনও মন্ত্রী বা আধিকারিকের তরফে তাঁদের কাছে আলোচনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে কিনা। সরকারও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে সৌরভের দাবি, ‘তারা অনেক দেরিতে এসেছেন ঠিকই, তবে আমরা মন খুলে বলেছি। জানিয়েছি, আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছুক। এখনও পর্যন্ত ওদের পক্ষ থেকে কোনও স্পষ্টতা আসেনি। সিদ্ধান্ত এখন সরকারের।’ তবে ককরোচদের তরফে এই দাবি করা হলেও, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সংসদ অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরকদমে। এদিকে আরশোলাদের ঠেকাতে গোটা যন্তর মন্তর ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। শোনা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন নেতাকে আটকও করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
কেন্দ্রের তরফে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।
এদিকে সোমবার সকাল অনশন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়ে ৩টি শর্ত দিয়েছেন সনম ওয়াংচুক। হাতে লেখা একটি খোলা চিঠি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তিনি। যেখানে লেখা, “আপনারা জানতে চাইছেন আমি অনশন কবে ভাঙব। আগেই বলেছিলাম, আমি ২০ জুলাই অনশন ভাঙতে পারি যদি সরকার শিক্ষাব্যবস্থার সাম্প্রতিক ব্যর্থতাগুলির দায় নেয়। বা আমি এবং সিজেপি নেতৃত্ব সংসদে যেতে পারলে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-সাংসদেরা বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন বা শারীরিক এবং অন্যান্য পরিস্থিতির কারণে আমি সংসদে যেতে না-পারলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদরা হাসপাতালে এসে আমার সঙ্গে দেখা করে ওই আশ্বাস দেন।”
উল্লেখ্য, যন্তরমন্তর থেকে তুলে এনে সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। কিন্তু এখনও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি। তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী আঙ্গমো দাবি করেছেন, হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁকে খাদ্যগ্রহণের জন্য চাপ দিলেও সোনম এখনও তরল খাবারও গ্রহণ করেননি। তবে সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর প্রথম দিন তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে পারেন। দুটি শর্ত তিনি দিয়েছিলেন। সোনম তিনটি শর্তের যে কোনও একটি মানার অনুরোধ করলেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার
-
বাংলাতেই রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, এনডিএ সংসদীয় বৈঠকে স্পষ্ট বার্তা নিতিন নবীনের
-
তিন খণ্ড তৃণমূল! খোলা ময়দান পেয়ে মমতার ধাঁচে বছরভর কর্মসূচি ঘোষণা কংগ্রেসের