Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Supreme Court

গোরক্ষার নামে হিংসা, অপরাধের মেরিট অনুযায়ী বিচার চায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, কারও অধিকার খর্ব বা আইনি বাড়াবাড়ি হলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৫:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৫:৫০

options
link
গোরক্ষার নামে হিংসা, অপরাধের মেরিট অনুযায়ী বিচার চায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ zoom
ফাইল ছবি।

২০১৮ সালে এক রায়ে সর্বোচ্চ আদালত (Supreme Court) গোরক্ষকদের ‘দাদাগিরি’ ও মবতন্ত্রের দাপট রোধে ও এ ব্যাপারে জড়িতদের বিচারে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির জন্য যে ‘সাধারণ নির্দেশাবলী’ জারি করেছিল, তার উল্লেখ করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। উল্লেখে ওই গুচ্ছ নির্দেশকে ‘আনম্যানেজেবল’ অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণের অতীত বলেছেন তিনি।

প্রধান বিচারপতির মতে, সংশ্লিষ্ট প্রতিটি অপরাধকে তার তথ্য ও মেরিট বা আইনি যৌক্তিকতার বিচারে দেখতে হবে, কারও অধিকার লঙ্ঘন বা আইনের অপব্যবহারের ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেছেন, শীর্ষ আদালত অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মেনে চলার জন্য সাধারণ কিছু নীতি, নিয়মাবলী বেঁধে দেয়। অধিকারের উল্লঙ্ঘন হলে মানুষের আইনের মাধ্যমে আদালতে সুরাহার সংস্থান আছে। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, কারও অধিকার খর্ব বা আইনি বাড়াবাড়ি হলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। বেঞ্চের অপর সদস্য হলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি।

Advertisement

শীর্ষ আদালত আদালত অবমাননার অভিযোগ সম্বলিত পিটিশন গ্রহণ করতে চায়নি, যাতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২০১৮-র তেহসিন পুনাওয়ালা রায় মেনে পদক্ষেপ করছে না রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

শীর্ষ আদালত আদালত অবমাননার অভিযোগ সম্বলিত পিটিশন গ্রহণ করতে চায়নি, যাতে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ২০১৮-র তেহসিন পুনাওয়ালা রায় মেনে পদক্ষেপ করছে না রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ২০১৪ সাল থেকে ঘটে যাওয়া একাধিক গণপিটুনি ও সাম্প্রদায়িক ঘৃণামিশ্রিত মব হিংসার ঘটনার ব্যাপারে বিচারবিভাগের কঠোর প্রতিক্রিয়া হিসাবে ৮ বছরের পুরানো রায়ের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। তত্কালীন প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনাবলীকে ‘লুকিয়ে থাকা বিপদ’ বলে উল্লেখ করেছিল। বিচারপতিরা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ভুয়ো খবর, স্বঘোষিত নীতিপুলিশি, মিথ্যা কাহিনির ভিত্তিতে মারমুখী, বিচারবোধহীন আচরণ দেশকে একদিন টাইফুন সদৃশ দানবের মতো গিলে খাবে।

বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চ সেদিন স্পষ্ট বলেছিল, জাত, সম্প্রদায়, গোষ্ঠী, ধর্ম নির্বিশেষে সব মানুষকে রক্ষা করা সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব। গণপিটুনি ও মব হিংসার মোকাবিলায় একাধিক প্রতিরোধক, শাস্তিমূলক, সংস্কারমূলক পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিল বেঞ্চ। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যগুলিকেও সেইসব পদক্ষেপ কার্যকর করতে বলেছিল শীর্ষ কোর্ট। নির্দেশ কতটা মানা হয়েছে, তার রিপোর্টও জমা দিতে বলেছিল। সেসময় সর্বোচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, অপরাধের কোনও ধর্ম হয় না এবং অপরাধী বা আক্রান্তকে কখনও জাত, ধর্ম, সম্প্রদায়, শ্রেণির মাপকাঠিতে দেখা যায় না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.