সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের আদালতগুলিতে মামলার পাহাড় জমে উঠছে। ব্যতিক্রম নয় সুপ্রিম কোর্ট। বছরের পর বছর ধরে বহু মামলার শুনানি চলছে। মামলার চালানোর খরচ যোগাতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন মামলাকারীরা। এই অবস্থায় বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রাধান বিচারপতি বিআর গাভাই দাবি করলেন, ছুটির দিনেও কাজ করছেন শীর্ষ পাঁচ বিচারপতি। প্রয়োজনে অতিরিক্ত কাজ করছেন তাঁরা। মামলা ঝুলে থাকার জন্য দায়ী আইনজীবীরাই।
বুধবার একজন আইনজীবী একটি মামলা গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর তালিকাভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছিলেন। তখনই প্রধান বিচারপতি গাভাই এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মাসিহের বেঞ্চ মন্তব্য করে, আইনজীবীরা ছুটিতে থাকাকালীন কাজ করতে চান না। অথচ একের পর এক মামলা জমে থাকার জন্য গোটা বিচারব্যবস্থাকে দায়ী করা হয়। এদিন প্রধান বিচারপতি বলেন, “দেশের শীর্ষ পাঁচ বিচারপতি ছুটিতেও কাজ করছেন, আর মামলা ঝুলে থাকার জন্য দায়ী করা হচ্ছে আমাদের। বাস্তবে আইনজীবীরাই ছুটি চলাকালীন কাজ করতে চান না।”
মামলার ভার কমাতে সম্প্রতি ছুটির দিনেও শীর্ষ আদালত কাজ হবে বলে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ছুটির মাঝেও মামলা শুনবে বেশ কিছু বেঞ্চ। ওই দিনগুলিকে ‘আংশিক কর্মদিবস’ নাম দেওয়া হয়েছে। যা চলবে ২৬ মে থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। এই সময় পর্বে আদালতে উপস্থিত থেকে মামলা শুনবেন প্রধান বিচারপতি-সহ শীর্ষ পাঁচ বিচারপতি।
যদিও পুরনো নিয়মে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে দু’টি অবকাশকালীন বেঞ্চ বসত। সিনিয়র বিচারপতিদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হত না। এছাড়াও নতুন নিয়মে ২৬ মে থেকে ১ জুন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি অফিস। এই সময়ে সকল আধিকারিক ও কর্মীর জন্য। শুধু শনি-রবিবার আদালতের কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।
সর্বশেষ খবর
-
সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়েই মহামেডানকে ঋণমুক্ত করার আশ্বাস হুমায়ুনের, বার্তা ‘রাজনীতি’ নিয়েও
-
আগামী সপ্তাহেই সংসদে ‘অপারেশন লোটাস’! মমতার নির্দেশে হঠাৎ দিল্লিতে অভিষেক
-
‘ওয়াকা ওয়াকা’র নস্ট্যালজিয়া উসকে ফিরছে শাকিরা ম্যাজিক, কোন গানে ‘ফিফা’র মঞ্চ মাতাবেন নোরা?
-
‘ভাইকিং’ পোশাকে ফোটোশুট হালান্ডদের, বিশ্বকাপের আগে বিপাকে নরওয়ে
-
কারা পাবেন আবাসের বাড়ি? সুবিধাভোগী যাচাইয়ে ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা, রয়েছে ‘সেলফ সার্ভে’র সুবিধাও