Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
China

প্যাংগং হ্রদের তীরে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি গড়ছে চিন! দিল্লির উদ্বেগ বাড়াল স্যাটেলাইট চিত্র

বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেও, পিঠে ছুরি মারার স্বভাব বদলায়নি চিন!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ১৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ১৯:২০

options
link
প্যাংগং হ্রদের তীরে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি গড়ছে চিন! দিল্লির উদ্বেগ বাড়াল স্যাটেলাইট চিত্র zoom
সামনে আসা স্যাটেলাইট চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ সীমান্ত বিবাদের পর নতুন করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ালেও, পিঠে ছুরি মারার স্বভাব বদলায়নি চিনের। এবার সেই ছবিই দেখা গেল পূর্ব লাদাখে। স্যাটেলাইট ছবিতে ধরা পড়ল প্যাংগং লেকের পূর্ব তীরে ‘এয়ার ডিফেন্স কমপ্লেক্স’ বা ‘ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি’ তৈরি করছে লালফৌজ। ৫ বছর আগে যেখানে ভারত ও চিন সেনার মধ্যে সংঘাত বাধে সেখান থেকে এই ঘাঁটির দূরত্ব মাত্র ১১০ কিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এই পদক্ষেপ চিনের।

স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে, প্যাংগংয়ের তীরে যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরি করা হচ্ছে সেখানে রুয়েছে কমান্ড সেন্টার, ব্যারাক, যানবাহন রাখার শেড, অস্ত্রাগার ও রাডার ঘাঁটি। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল এই ঘাঁটির ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জায়গাগুলি। সেগুলি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে ছাদ সরিয়ে ট্রান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার যান ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা যায়। এই যানগুলি দূরের HQ-9 সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (SAM) সিস্টেম বহন করতে সক্ষম। এই HQ-9 মিসাইল সিস্টেম চিনের অন্যতম প্রধান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। যা ২০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুকে নিমেষে ধ্বংস করতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে লুকিয়ে রেখে হামলা চালানোর জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে এই ঘাঁটি। চিনের বিশেষ এই ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ভারত-সীমান্তে এই প্রথম। এর আগে দক্ষিণ চিন সাগরের এক বিতর্কিত দ্বীপপুঞ্জে একইরকম সামরিক ঘাঁটি দেখা গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্যাংগং কমপ্লেক্সের প্রাথমিক নির্মাণের কাজ জুলাই মাসের শেষের দিকে ধরা পড়েছিল। এখনও এই বাঙ্কারের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। জোরকদমে এই ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি তৈরির কাজ চালাচ্ছে লালফৌজ। চিনকে নজরে রেখে লাদাখে নিওমা বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরি করেছে কেন্দ্র। মনে করা হচ্ছে, বায়ুসেনার এই ঘাঁটিকে নজরে রেখেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ঘাঁটি তৈরি করছে চিন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মাধ্যমে চিন একদিকে তার সীমান্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করবে। অন্যদিকে ভারতেও নজরদারি বাড়াবে। প্রকাশ্যে আসা এই স্যাটেলাইট ছবিগুলি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে চিন ক্রমশ ভারতের বিরুদ্ধে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.