Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Arunachal Pradesh

ব্রহ্মপুত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাঁধ তৈরি চিনের, অরুণাচলে পালটা জবাবের পথে ভারত!

'এসইউএমপি' প্রকল্প নিয়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ভারতও। নয়া এই প্রকল্পে বছরে ১১০০০ মেগাওয়াট অর্থাৎ ৪৭ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ তৈরি করবে ভারত। যার মূল্য ১.৫ লক্ষ কোটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ২০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৯, ২০২৬, ২০:৩৩

options
link
ব্রহ্মপুত্রে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাঁধ তৈরি চিনের, অরুণাচলে পালটা জবাবের পথে ভারত! zoom
অরুণাচলে নয়া বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা ভারতের!

তিব্বত থেকে উৎপত্তি হওয়া ইয়ারলুং সাংপো নদীর নিম্ন অববাহিকায় বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধ নির্মাণ করছে চিন। অরুণাচল প্রদেশ থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই প্রকল্পের পালটা পদক্ষেপ শুরু করেছে ভারত। চিনা বাঁধের জবাবে অরুণাচলে ‘সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রোজেক্ট’ (SUMP) তৈরির তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বাঁধ ১১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরির পাশাপাশি বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এটাই হবে ভারতের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারত প্রস্তুতি শুরু করলেও চিনের বাঁধ ভারতের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিব্বতে এই বাঁধ নির্মাণের কথা আগেই ঘোষণা করেছিল চিন। গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকমাসে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ অনেকখানি এগিয়েও ফেলেছে তারা। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চিনের তৈরি এই বাঁধকে কেন্দ্র করে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন ভারত সরকার। ইয়ারলুং সাংপো নামে যে নদীর উপর চিন এই বাঁধ তৈরি করছে সেটির উৎপত্তিস্থল তিব্বত। এরপর অরুণাচল প্রদেশে নদীটির নাম হয়েছে সিয়াং। সেখান থেকে অসমে প্রবেশ করার পর ব্রহ্মপুত্র নামে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে। ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা পরিচালিত হয় এই নদীকে কেন্দ্র করে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, চিন বাঁধ নির্মাণ করলে গ্রীষ্মকালে নিম্ন অববাহিকায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত জল কমে আসবে। যা ভারত ও বাংলাদেশে কৃষিকাজের পাশাপাশি ধাক্কা দেবে শিল্পকেও। পাশাপাশি পলি পরিবহণ বাধাপ্রাপ্ত হবে যা পরিবেশের উপর গুরুতর প্রভাব ফেলবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চিনা বাঁধের জবাবে অরুণাচলে ‘সিয়াং আপার মাল্টিপারপাস প্রোজেক্ট’ (SUMP) তৈরির তৎপরতা শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি এই বাঁধের ফলে ব্রহ্মপুত্রের মূল নিয়ন্ত্রণ যেহেতু চিনের হাতে থাকবে সেক্ষেত্রে নানা দিক থেকে ভারতকে বিপদে ফেলার সুযোগ পাবে চিন। বেজিং অবশ্য জানিয়েছে, বাঁধের মূল উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন। এতে অন্য কোনও দেশের ক্ষতি করবে না। কিন্তু ভারত কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। বেজিংয়ের প্রতিটি পদক্ষেপের উপর কড়া নজর রাখার পাশাপাশি কৌশলগতভাবে পালটা জবাবের পথ তৈরি করছে ভারত। লোকসভায় লিখিতভাবে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ‘জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরিতে চিনের পরিকল্পনা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকা সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যকলাপ নজরে রাখা হচ্ছে।’ নদীর উপর নির্ভরশীল মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় প্রয়োজনীয় যাবতীয় পদক্ষেপ করা হবে।

এই ইস্যুতে আন্তঃসীমান্ত নদী প্রকল্পের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, তথ্য আদান-প্রদান এবং পূর্ব পরামর্শের বিষয়ে বেজিংয়ের উপর ধারাবাহিকভাবে চাপ দিয়ে আসছে দিল্লি। যদিও তাতে বিশেষ ফল হয়নি। এই অবস্থায় ‘এসইউএমপি’ প্রকল্প নিয়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ভারতও। নয়া এই প্রকল্পে বছরে ১১০০০ মেগাওয়াট অর্থাৎ ৪৭ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ তৈরি করবে ভারত। যার মূল্য ১.৫ লক্ষ কোটি। পাশাপাশি এই প্রকল্প এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ জলপ্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর্থিকভাবে তো বটেই ভূ-রাজনৈতিকভাবেও এই প্রকল্প অনেকখানি গুরুত্বপূর্ণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.