সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গায়ের রং কী? ফর্সা না কালো? ছেলে না কি মেয়ে? তার নিরিখেই সদ্যোজাতের দর উঠত। আর তারপর সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে দেড় থেকে পাঁচ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হত। বাচ্চা কেনাবেচার এমনই একটি বড় চক্র ফাঁস হয়েছে যোগী-রাজ্যের গাজিয়াবাদে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি থেকে বাচ্চা চুরি করা হত। তার পর তাদের বিক্রি করা হত। তবে ফর্সা সদ্যোজাতের চাহিদা ছিল সবচেয়ে বেশি। এই ঘটনায় দুই মহিলা-সহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতেরা শিশু চুরি করে বিভিন্ন রাজ্যে তা চড়া দামে পাচার করে দিতেন। সদ্যোজাতের গায়ের রং ফর্সা হলে তার দাম উঠত পাঁচ লক্ষ টাকা। তবে দেড় লক্ষ টাকা থেকে বিক্রির দাম শুরু হত।
তদন্তকারী দলের পদস্থ অফিসার জানিয়েছেন, এই চক্রের সঙ্গে মোরাদাবাদ হাসপাতালের এক নার্স এবং এক আশাকর্মী জড়িত রয়েছেন। সন্দেহ করা হচ্ছে, হাসপাতাল থেকে ওই নার্সের মাধ্যমে বাচ্চা গায়েব করা হত। আশাকর্মীকেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই কাজে লাগানো হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। ধৃতেরা হলেন, নাভেদ আনসারি, আফসার, স্বাতী ওরফে সায়েস্তা এবং সন্ধ্যা চৌহান। তদন্তে জানা গিয়েছে, মুজফ্ফরনগরে ‘শুভার্থী ম্যারেজ ব্যুরো’ নামে ঘটকালির সংস্থা খুলে বসেছিলেন সন্ধ্যা। অন্য দিকে, মোরাদাবাদে ‘পরী ম্যারেজ ব্যুরো’ নামে ঘটকালির সংস্থা খুলেছিলেন স্বাতী। ক্রোনিকা সিটিতে মাংসের দোকান রয়েছে আফসারের। আর নাভেদ দিনমজুরের কাজ করেন।
সর্বশেষ খবর
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা