সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভরা এজলাসে তাঁর দিকে জুতো ছোড়া হয়েছিল। অতর্কিত সেই হামলায় তিনি রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই। প্রধান বিচারপতির আসনে থাকা কারও উপর এভাবে হামলা চালানো যায় না। বলছেন অন্য বিচারপতিও।
গত সোমবার একটি মামলার শুনানি চলাকালীন আচমকাই আইনজীবী রাকেশ কিশোর প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইকে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারেন! অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালত কক্ষ থেকে বের করে আনার সময় তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, “ভারতে সনাতন ধর্মের অপমান সহ্য করা হবে না।” নাটকীয় ওই ঘটনার পর অভিযুক্তকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু শীর্ষ আদালত থেকে কোনও রকম অভিযোগ না পাওয়ার কারণে তাঁকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। তবে অভিযুক্ত ওই আইনজীবী রাকেশ কিশোরকে সাসপেন্ড করেছে বার কাউন্সিল।
প্রধান বিচারপতি প্রাথমিকভাবে জানান, হামলার ঘটনায় তিনি বিশেষ ভাবিত নন। সম্ভবত সেকারণেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে থানাতেও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে ঘটনার এক সপ্তাহ বাদে এসে প্রধান বিচারপতি বলছেন, “আমি এবং আমার সম্মানীয় সহকর্মী, সোমবার যা ঘটেছে তাতে স্তম্ভিত। তবে পুরো বিষয়টাই আমাদের কাছে বিস্মৃত অধ্যায়।”
এদিন ওপেন কোর্টে একটি মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে ছিলেন বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়াও। তিনি বলেন, “পুরো ঘটনা নিয়ে আমার নিজস্ব মতামত আছে। তবে দেশের প্রধান বিচারপতির উপর এই ধরনের হামলা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না।” কেন্দ্রের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাও ওই সময় আদালতে ছিলেন। তিনিও ওই হামলার তীব্র নিন্দা করেন। তুষার মেহেতা বলেন, “প্রধান বিচারপতির আসনের আলাদা সম্মান আছে। এই ধরনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য।”
সর্বশেষ খবর
-
ঋতব্রতর ‘বিরোধী’ দলনেতা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করবে কালীঘাট? কল্যাণ বলছেন, ‘আদালতে প্রমাণ হবে’
-
নিজের রাজ্যের লিগেই অবিক্রীত রাহুল, আইপিএলে দারুণ ফর্ম সত্ত্বেও কেন এই অবস্থা?
-
প্রেমে প্রত্যাখ্যানের বদলা! অফিসে সহকর্মীদের সামনে তরুণীকে কুপিয়ে ‘খুন’ প্রাক্তন প্রেমিকের, প্রকাশ্যে ভিডিও
-
শুভেন্দুর পূর্ব মেদিনীপুর থেকে শুরু, প্রথম জেলা পরিষদ হাতছাড়া তৃণমূলের, পদ ছাড়লেন সভাধিপতি
-
সরকারি শিক্ষকরা প্রাইভেট টিউশন বন্ধ না করলে কড়া শাস্তি, নির্দেশিকা জারি শুভেন্দু সরকারের