Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Chhattisgarh

লাল সন্ত্রাসে লাগাম! অবুঝমাড়ের জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম ৫ মাওবাদী

২০২৬ সালের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ১৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ১৯:২২

options
link
লাল সন্ত্রাসে লাগাম! অবুঝমাড়ের জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম ৫ মাওবাদী zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার গুলির শব্দে ফের কেঁপে উঠল ছত্তিসগড়ের তথাকথিত ‘রেড করিডোর’। অবুঝমাড়ের গভীর জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে পাঁচ মাওবাদী। 

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবারের ভোরে শুরু হয় গুলির লড়াই। দান্তেওয়াড়া এবং নারায়ণপুর থেকে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের (ডিআরজি) একটি যৌথদল পূর্ব বস্তার ডিভিশনে তল্লাশি অভিযান চালায়। সেই সময় মাওবাদীরা অতর্কিতে আক্রমণ চালায় বাহিনীর উপর। মাওবাদীদের প্রবল গুলিবর্ষণের মধ্যেই পাল্টা আক্রমণ চালায় জওয়ানরা। নিরাপত্তাবাহিনীর পালটা আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয় মাওবাদীরা। দান্তেওয়াড়ার এসপি গৌরব রাই এই খবর নিশ্চিত করে বলেন, “ঘন জঙ্গল থেকে এখনও বেশ কয়েকজন মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়নি।”

Advertisement

বস্তার অঞ্চল জুড়ে পর পর চলছে মাও বিরোধী অভিযান। ২৮ আগস্ট, ছত্তিশগড়-মহারাষ্ট্র সীমান্তের গড়চিরোলির কোপারশি জঙ্গলে সি-৬০ কমান্ডোদের সঙ্গে তীব্র গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় চার মাওবাদী। ঘটনাস্থল থেকে বহু অস্ত্র এবং গোলাবারুদ পাওয়া যায়। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত হয় বেশ কিছু নিষিদ্ধ বই এবং নথি। অন্যদিকে, বুধবার পালামৌয়ের মানাতু থানা এলাকার কেদল গ্রামে জঙ্গলের মধ্যে মাওবাদীদের গতিবিধি দেখা যায়। এরপরেই সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথবাহিনী। পালামৌয়ের ডিআইজি নওশাদ আলম জানান, রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ অভিযান শুরু হয়। জঙ্গলে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াই চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দুই জওয়ানের। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও এক জওয়ানকে উদ্ধার করা হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী মাওবাদী বিরোধী অভিযান হয় গত মে মাসে। বস্তারের এই অভিযানে মাওবাদী শীর্ষ নেতা বাসব রাজু-সহ বেশ কয়েকজন মাওবাদী। এই সময়ে নিরাপত্তা বাহিনী ছত্তিশগড় এবং তেলেঙ্গানার পাহাড়ি অঞ্চলে ২৪ দিনের অভিযানে ৩১ জন মাওবাদীকে হত্যা করে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদমুক্ত ভারত গড়ার বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর থেকেই ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, ঝড়খণ্ডের মতো মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলিতে মাওবিরোধী অভিযান ব্যাপক গতি পেয়েছে। গোয়েন্দাদের মতে, বর্তমানে ছত্তিশগড়-তেলেঙ্গানা সীমানাবর্তী কারেগুট্টা পাহাড়ি এলাকা মাওবাদীদের অন্যতম শক্তঘাঁটি। এই এলাকা থেকে মাওবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে প্রায় ৩ হাজার আধাসেনাকে নামানো হয়েছে। দেশের বাকি অংশেও লাগাতার অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সেই অভিযানের জেরে ব্যাকফুটে যাওয়া মাওবাদীরা এবার নিশানা করতে শুরু করেছে সাধারণ গ্রামবাসীদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.