Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Tmeline order for governors and Presidents

‘সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে’, রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালকে বিল পাশের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে পালটা কেন্দ্রের

সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে বেনজির সংঘাতে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৫, ১৪:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৫, ১৪:৪৫

options
link
‘সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে’, রাষ্ট্রপতি-রাজ্যপালকে বিল পাশের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে পালটা কেন্দ্রের zoom
ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিচারবিভাগের সঙ্গে প্রশাসনের দুরত্ব কি আরও বাড়ছে? রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতিদের বিল পাশ করানোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে বিচারবিভাগকে ফের কাঠগড়ায় তুলল কেন্দ্র। নরেন্দ্র মোদি সরকারের দাবি, এভাবে ভারতের রাষ্ট্রপতি বা বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্যপালদের বিল নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে না বিচারবিভাগ। তাতে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে।

মাস কয়েক আগেই সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দেয়, আইনসভায় পাশ করা কোনও বিল রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতি কেউই অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখতে পারেন না। ওই বিল নিয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাদের। সমস্যা হল, এমনিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যপাল বা রাষ্ট্রপতিকে এভাবে ‘নির্দেশ’ দিতে পারে না। কিন্তু সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, শীর্ষ আদালত ‘সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে’ আইনের ঊর্ধ্বে গিয়ে বিশেষ রায় দিতেই পারে। এ ক্ষেত্রেও তেমনটাই করেছে সুপ্রিম কোর্ট। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শাসক শিবিরের বহু নেতা বিচারবিভাগকে তোপ দেগেছেন।

Advertisement

এবার লিখিতভাবে এই রায় নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা লিখিত হলফনামায় দাবি করলেন, সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে’ আইনের ঊর্ধ্বে গিয়ে বিশেষ রায় দিতেই পারে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ওই বিশেষ অনুচ্ছেদেও সংবিধান বদলানো যায় না। বা সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্যকে ভুল প্রমাণ করা যায় না।

কেন্দ্রের সাফ বক্তব্য, রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতির দপ্তর রাজনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পন্ন। গণতান্ত্রিক প্রশাসনের থেকেও উৎকৃষ্ট আদর্শে বিশ্বাসী। তাই রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের দপ্তরে যদি কোনও ত্রুটি থেকেও থাকে তাহলে সেটা ঠিক করতে হবে রাজনৈতিক ভাবে। অকারণ বিচারবিভাগের হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.