Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Centre

সিগারেটের মতোই বিপজ্জনক শিঙাড়া-জিলিপি! বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণের উদ্যোগ কেন্দ্রের

আপাতত কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এই ফরমান জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৫, ১৪:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৫, ১৪:১৫

options
link
সিগারেটের মতোই বিপজ্জনক শিঙাড়া-জিলিপি! বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণের উদ্যোগ কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সিগারেটের প্যাকেটে অনিবার্য দেখা মেলে তার। ‘তামাকজাত দ্রব্য সেবন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর’- সে কথা ব্যবহারকারীকে স্মরণ করিয়ে দেয় সেই বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ। কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর তো আরও অনেক কিছুই! যেমন বেশি তেল, বেশি চিনি, বেশি মশলা, বেশি ট্রান্স-ফ্যাটজাতীয় খাবারদাবার। সে কথা মাথায় রেখেই এবার শিঙাড়া, জিলিপি, পকোড়া, বড়া পাও, চা-বিস্কুটের মতো খাবারের সঙ্গেও থাকতে চলেছে স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ। অভিনব এই উদ্যোগ স্বয়ং কেন্দ্রের। সাম্প্রতিক ঘোষণাও তাদেরই তরফে।

সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রক সমস্ত কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন একটি ফরমান জারি করেছে। আর তা অনুযায়ী জিলিপি-শিঙাড়ার মতো খাবার খাওয়ার বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ছাত্রছাত্রী-শিক্ষকশিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের সতর্ক করতে বলা হয়েছে। স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাবারে ঠিক কত পরিমাণ ক্যালোরি আছে, কতটা চিনি ব্যবহার করা হয়েছে কিংবা কী পরিমাণ ট্রান্স-ফ্যাট রয়েছে-তা জানাতে হবে। ক্যান্টিনগুলিতে এই নিয়ে পোস্টার টাঙাতে হবে।

Advertisement

সবার প্রথমে এইমস নাগপুর ক্যাম্পাসে এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের অন্তর্গত ক্যাফেটেরিয়া এবং অন্যান্য খাওয়ার জায়গাগুলিতে ঠিক ফুড কাউন্টারগুলির পাশে সতর্কতামূলক পোস্টার টাঙানো হয়েছে, যাতে খেতে বসলেই তা সবার চোখে পড়ে। পরবর্তীতে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বিষয়টি চালু করা হবে বলেই জানা গিয়েছে। তবে একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এটাও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, তারা কিন্তু এই ধরনের খাবারের বিক্রির উপর কোনও রকম নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি।

বস্তুত কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগের কারণ, দেশে বর্তমানে স্থূলতা, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের সমস্যা বেড়েই চলেছে। ল্যানসেট জার্নালের তথ্য বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে অন্তত ৪৪০ মিলিয়ন ভারতবাসী স্থূলতায় আক্রান্ত হবেন। সেটা মাথায় রেখেই সতর্ক করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই উদ্যোগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.