Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
LPG Crisis

এবার গ্যাস পেতে গেলে ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক, জ্বালানি সংকটে নয়া নিয়ম কেন্দ্রের

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের বক্তব্য, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতিতে ভর্তুকি প্রক্রিয়াকে সুগম তথা স্বচ্ছ করতে এবং অপব্যবহার আটকাতে এই পদক্ষেপ করা হল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৭, ২০২৬, ১৫:০০

options
link
এবার গ্যাস পেতে গেলে ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক, জ্বালানি সংকটে নয়া নিয়ম কেন্দ্রের zoom
প্রতীকী ছবি।

জ্বালানি সংকটে (LPG Crisis) সামাল দিতে আরও এক ঘোষণা কেন্দ্রের। এখন থেকে সমস্ত এলপিজি গ্রাহকদের জন্য বায়োমেট্রিক আধার যাচাইকরণ (e-KYC) প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের বক্তব্য, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতিতে ভর্তুকি প্রক্রিয়াকে সুগম তথা স্বচ্ছ করতে এবং অপব্যবহার আটকাতে এই পদক্ষেপ করা হল।

কীভাবে বায়োমেট্রিক আধার যাচাইকরণ (e-KYC) সম্পূর্ণ করবেন?

মন্ত্রক জানিয়েছে, গ্রাহকরা জ্বালানি বিপণনকারী সংস্থাগুলির (যেমন ইন্ডিয়ান অয়েল, এইচপি বা ভারত গ্যাস) মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে পারবেন। পাশাপাশি আধার ফেসআরডি অ্যাপের মাধ্যমেও স্মার্টফোন থেকে বাড়িতে বসেই ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সারা যাবে। এছাড়াও গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে গিয়ে আঙুলের ছাপ (Fingerprint) বা আইরিস স্ক্যানের মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করতে পারবেন।

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের বক্তব্য, বায়োমেট্রিক আধার যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার জন্য কোনও এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই তা করা যাবে। যদিও মন্ত্রক সতর্ক করেছে, ই-কেওয়াইসি না হলে এলপিজি রিফিল ব্যাহত হতে পারে। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে ভর্তুকি স্থগিত করা হতে পারে।

কেন এই সিদ্ধান্ত?

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক সূত্রে খবর, সারা দেশে রান্নার গ্যাসের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও একটি বড় অংশ অসাধু উপায়ে গৃহস্থের গ্যাসকেই বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। এমনকী গৃহস্থালির জন্য বরাদ্দ ভর্তুকিযুক্ত সিলিন্ডার অনেক সময় হোটেল, রেস্তোরাঁ বা কলকারখানায় পাচার হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকরা সময়মতো সিলিন্ডার পাচ্ছেন না এবং কৃত্রিম সরবরাহ সংকট তৈরি হচ্ছে। যুদ্ধের সময়ে এই কালো বাজারে আটকাতেই নয়া নিয়ম আনা হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.