সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশের মাটিতে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় এবার সরব ‘বহুজন সমাজবাদী পার্টি’র নেত্রী মায়াবতী। কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানালেন, বাংলাদেশে বসবাসকারী নির্যাতিত হিন্দু ও দলিতদের ভারতে ফিরিয়ে আনার। শুধু তাই নয়, এই ইস্যুতে কংগ্রেসের নীরব বলে অভিযোগ তুলে হাত শিবিরকেও একহাত নিলেন তিনি।
শনিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ ইস্যুতে মুখ খুলে বসপা প্রধান মায়াবতী বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে সর্বাধিক হিংসার শিকার দলিত ও হিন্দুরা। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আমি আর্জি জানাচ্ছি তাঁদের ভারতে ফিরিয়ে আনুন। একইসঙ্গে বলেন, সরকারের উচিত এই ঘটনা রুখতে বাংলাদেশের উপর প্রবল চাপ তৈরি করা, যাতে সেখানে হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার না হন। মোদি সরকারের কাছে হিন্দুদের ফেরানোর আর্জির পাশাপাশি কড়া সুরে কংগ্রেসকে তোপ দাগতেও ছাড়েননি উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
কংগ্রেসকে একহাত নিয়ে মায়াবতী বলেন, “বিভাজনের সময় দলিত সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা পাকিস্তানকে দিয়ে দেওয়ার যে ষড়যন্ত্র কংগ্রেস রচনা করেছিল, বর্তমান বাংলাদেশ হিংসা তারই পরিণতি। সেই সময় বাবা সাহেব আম্বেদকর বাংলার যশোর, খুলনা থেকে নির্বাচিত হয়ে আসেন। এই এলাকা দলিত সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। তারপরও এই অঞ্চল পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আর এখন বাংলাদেশ ইস্যুতে মুখে কুলুপ এঁটে ‘সম্ভল-সম্ভল’ বলে চিৎকার করছে কংগ্রেস।”
উল্লেখ্য, হাসিনার দেশত্যাগের পর ইউনুস জমানায় মৌলবাদের তাণ্ডব ভয়াবহ আকার নিয়েছে বাংলাদেশে। ভারত বিদ্বেষ তো বটেই, মৌলবাদীদের তাণ্ডবে ভয়াবহ দুর্দিন নেমে এসেছে সেখানকার হিন্দুদের উপর। সংখ্যালঘু হত্যা, নারী নির্যাতন, সম্পত্তি জোর করে কেড়ে নেওয়ার ঘটনা আকছার প্রকাশ্যে আসছে। ইসকনের চিন্ময় প্রভুকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ইসকন ও অন্যান্য হিন্দু মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন রুখতে ইউনুস সরকারকে সতর্ক করেছে ভারত। এরই মাঝে সেখানে নির্যাতিত হিন্দুদের ভারতে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানালেন মায়াবতী।
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!